SPORTS: সংকটের মুহূর্তে হাল ধরলেন বিধ্বংসী ঋষভ পন্ত, জেনেনিন ম্যাচের পরিস্থিতি

সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ঋষভ পান্তের বিধ্বংসী ব্যাটিং ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে। ভারতীয় উইকেটকিপার ব্যাটার মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ৩৩ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে তিনি ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান। অস্ট্রেলিয়ার সকল বোলারকেই তিনি বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি মেরেছেন। ফিল্ডিং সাজিয়েও পান্তকে থামানো যায়নি।
কপিল দেবের আরও একটি রেকর্ড ভাঙলেন পান্ত
পান্ত প্রায় নিজের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটি পান্তেরই দখলে। ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনি ২৮ বলে ৫০ রান করেছিলেন। সিডনির কঠিন পিচে, যেখানে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা সমস্যায় পড়েছেন, সেখানে পান্ত মাত্র ২৯ বলে অর্ধশতক করেন। এর মাধ্যমে তিনি আরও একবার কপিল দেবের রেকর্ড ভাঙেন। ১৯৮২ সালে করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে কপিল দেব ৩০ বলে ৫০ রান করেছিলেন।
ভারতীয় দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিলেন পান্ত
অস্ট্রেলিয়ার এই সফরে পান্ত সেভাবে ছন্দে ছিলেন না। কিন্তু শেষ ম্যাচের শেষ ইনিংসে তার ব্যাট জ্বলে ওঠে। পান্ত যখন আউট হন, তখন ভারতীয় দল অস্ট্রেলিয়ার থেকে ১৩২ রানে এগিয়ে ছিল। ভয়ঙ্কর বোলার স্কট বোল্যান্ডের বিরুদ্ধেও পান্ত একই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলেন। শেষ পর্যন্ত কামিন্স তাকে আউট করেন। অস্ট্রেলিয়ার জন্য পান্তের রানের গতি কমানোটা খুবই জরুরি ছিল এবং তাদের অধিনায়ক সেই কাজটি করেন। অফস্ট্যাম্পের বাইরের একটি বলে মারতে গিয়ে পান্ত আউট হন।
In Rishabh Pant’s 33-ball, 61-run innings:
🔥 6 fours
🔥 4 sixesAnd here’s every one of those boundaries #AUSvIND pic.twitter.com/Hc3Sx66DSr
— 7Cricket (@7Cricket) January 4, 2025
ম্যাচের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিক
ক্যাপ্টেন জসপ্রীত বুমরা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিরাট কোহলি দলের দায়িত্ব নেন। ভারতীয় বোলাররা দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে দেন। মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা এবং নীতিশ রেড্ডি চমৎকার বোলিং করেন। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ১৮১ রানে শেষ হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে যশস্বী জয়সওয়াল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেন। যদিও তিনি বড় রান করতে পারেননি, তবে ভারতের আক্রমণাত্মক মনোভাব স্পষ্ট ছিল।
সিডনির পিচে দ্বিতীয় দিনেও ব্যাট করা বেশ কঠিন। মনে হচ্ছে ম্যাচ যত এগোচ্ছে, পিচ ততই বোলারদের সহায়ক হয়ে উঠছে। তাই টিম ইন্ডিয়ার লক্ষ্য ছিল দ্রুত রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার উপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করা, অন্তত ২০০ বা তার বেশি রানের লক্ষ্য দেওয়া।