‘খাদান’ মুক্তির আগে মায়ের আশীর্বাদ, তারাপীঠের পর নৈহাটির বড়মার কাছে দেব

বছর শেষে ধামাকাদার ছবি নিয়ে হাজির হচ্ছেন দেব। দেব ও ইধিকা পালের “খাদান” ছবির প্রচার চলছে পুরো বাংলা জুড়ে। বাস ধরে পুরো টিম নিয়ে দেব রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরছেন। ছবির প্রচারের প্রথম দিন থেকেই চমক দিচ্ছেন টিমের সদস্যরা। ২০ ডিসেম্বর “খাদান” মুক্তি পাবে, আর তার আগেই নৈহাটির বড়মার মন্দিরে পুজো দিলেন দেব, যিশু সেনগুপ্ত সহ পুরো টিম।
নৈহাটির বড়মা খুবই জাগ্রত দেবী হিসেবে পরিচিত। তাই ছবি মুক্তির আগে “খাদান” টিম এখানে পুজো দিতে এসেছিলেন। সোমবার দেব পুরো “খাদান” ক্রু-কে নিয়ে নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মার মন্দিরে যান। তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত এবং অভিনেত্রী ইধিকা পাল সহ অন্যান্য কলাকুশলীরা। বাংলায় অন্যতম জাগ্রত দেবী কালী হলেন নৈহাটির বড়মা। প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্ত মায়ের দর্শন পেতে এখানে ভিড় করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, মা সকলের মনের ইচ্ছে পূরণ করেন। “খাদান” নিয়ে অনেক আশা রেখেছেন দেব, দীর্ঘদিন পর একটি পরিপূর্ণ কমার্শিয়াল ছবি নিয়ে তিনি বক্স অফিসে ফিরেছেন।
তাই ছবি মুক্তির আগে বড়মার আশীর্বাদ নিতে দেখা গেল দেব, ইধিকা ও যিশু সহ সকলকে। নৈহাটিতে পৌঁছাতেই দেবকে দেখার জন্য শত শত মানুষ ভিড় করেন। জনতাকে সামলাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। এদিন দেবের পরনে ছিল কালো জিনস ও ফুল স্লিভস টি-শার্ট। ভক্তিভরে পুজো দিলেন এবং মায়ের আরতিও করলেন। চুপ করে বসে বড়মার পুজো দেখলেন তিনি। এরপর মন্দিরের ছাদে উঠে ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন অভিনেতা। বড়মাকে পুজো দেওয়ার আগে দেব তারাপীঠ মন্দিরেও পুজো দিতে গিয়েছিলেন।
সেন্সর বোর্ড থেকে ইতিমধ্যেই “খাদান”-এর ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। দেব-যিশুর এই ছবির দৈর্ঘ্য মাত্র ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ১১ সেকেন্ড। যার ফলে মনে করা হচ্ছে “খাদান” বেশি সংখ্যক শো পাবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় রিনো দত্ত। দেব ও যিশু ছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে ইধিকা পাল, বরখা বিস্ত, স্নেহা এবং জন ভট্টাচার্যকে। অনেকের মতে KGF ও Salaar-এর মতো প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমার ধাঁচে তৈরি হয়েছে এই বাংলা সিনেমা। তবে দেবের মতে, এই ছবির গল্প প্যান ইন্ডিয়ান সুপারহিট সিনেমাগুলোর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দেবের কথায়, কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে এসে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য।