Money: টাকার চিন্তা হবে উধাও, বার্ধক্যের দিনগুলো ভালোভাবে কাটাতে এভাবে জমান রিটায়ারমেন্ট ফান্ড

বর্তমানে অর্থের গুরুত্ব অপরিসীম। বার্ধক্যকালে অর্থের অভাবে কারও উপর নির্ভর না করে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে হলে যৌবনকাল থেকেই এই বিষয়ে সচেতন হওয়া জরূরি।
এই প্রশ্নের উত্তর ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। তবে সাধারণত, আর্থিক পরামর্শদাতারা ৩০X নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান বার্ষিক ব্যয়ের ৩০ গুণ টাকা আপনার অবসরকালীন তহবিল হওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার বর্তমান বার্ষিক ব্যয় ৯ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে আপনার অবসরকালীন তহবিল হবে ৯ লক্ষ টাকা × ৩০ = ২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।
মিউচুয়াল ফান্ড, শেয়ার বাজার ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি ভাল রিটার্ন পেতে পারেন।
SIP (Systematic Investment Plan): এটি একটি সহজ এবং কার্যকরী পদ্ধতি। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ একটি মিউচুয়াল ফান্ডে জমা করার মাধ্যমে আপনি ধীরে ধীরে একটি বড় তহবিল গড়ে তুলতে পারেন।সরকারি বা বেসরকারি পেনশন স্কিমে যোগদান করে আপনি অবসরকালীন আয় নিশ্চিত করতে পারেন।
কত বিনিয়োগ করতে হবে:
আপনার বয়স যত কম, তত কম টাকা বিনিয়োগ করে আপনি আপনার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন।আপনি যে বিনিয়োগ করবেন, সেখান থেকে আপনি কতশতাংশ রিটার্ন আশা করেন, তার উপর নির্ভর করে আপনার মাসিক বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।আপনি অবসরে কত টাকা পেতে চান, তার উপর নির্ভর করে আপনার মাসিক বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।
৩০ বছর বয়স: যদি আপনার বয়স ৩০ বছর হয় এবং আপনি ২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা জমা করতে চান, তাহলে আপনাকে প্রায় ৩০ বছর ধরে প্রতি মাসে ৭,৭০০ টাকা করে SIP-এ বিনিয়োগ করতে হবে।
৩৫ বছর বয়স: যদি আপনার বয়স ৩৫ বছর হয়, তাহলে আপনাকে প্রায় ২৫ বছর ধরে প্রতি মাসে ১৪,৭০০ টাকা করে SIP-এ বিনিয়োগ করতে হবে।