বিশেষ: ব্লেডের নকশার আসল রহস্য কি? জেনেনিন বিস্তারিত তথ্য

শেভ করতে ব্লেডের জুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও ব্লেডের রয়েছে নানা ব্যবহার। এটি একটি নিত্য ব্যবহার্য পণ্য। তবে খেয়াল করলে দেখবেন, পৃথিবীর প্রায় সকল ব্লেডের নকশাই এক। প্রতিটি ব্লেডের মাঝেই অদ্ভুত এক নকশা থাকে। যা সবার নজর কাড়ে।

বহু বছর ধরে ব্লেডের এই নকশা দেখা যায়। নকশার পরিবর্তনও হয়নি। কিন্তু কেন পরিবর্তন হয়নি সে ব্যাপারে কেউই জানেন না। দৈনন্দিন জীবনে আমরা এমন অনেক কিছুই ব্যবহার করে থাকি সেগুলো সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত কিছুই জানি না। ব্লেড এর মধ্যে একটি।

প্রাত্যহিক জীবনে নানা প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ব্লেডও একটি। কিন্তু খেয়াল করে দেখেছেন কি, ব্লেডের যে নকশা তা আজও অপরিবর্তিত!কেন ব্লেডের এই নকশার বদল ঘটেনি, আর কেনই বা এই নকশা করা হয়েছে? যুগের পর যুগ একই স্টাইল ধরে রাখার রহস্য কি তা নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে করছে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ব্লেডের এই নকশা ও তা অপরিবর্তিত থাকার রহস্য-

১৯০১ সালে জিলেট কর্মসংস্থার প্রতিষ্ঠাতা কিং ক্যাম্প জিলেট এবং সহকর্মী উইলিয়াম নিক্সারসন একটি ব্লেডের ডিজাইন করে আমেরিকায় ব্যবসা শুরু করেন। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হবার ৩ বছর পর প্রথমে ১৬৫ টি ব্লেড প্রস্তুত করেন।

এরপর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যাবতীয় চিন্তাভাবনা করেই ব্লেডের সঙ্গে রেজারের হাতল আটকানোর জন্য স্ক্রু ও নাট-বল্টু ব্যবহৃত হত। কেন অন্যান্য সংস্থাও এই স্টাইল ও নকশা অনুকরণ করল? কারণ হিসেবে জানা যায়, সে সময় একমাত্র জিলেটই রেজার তৈরি করত। তাই অন্যান্য সংস্থাও একই পথে হাঁটা শুরু করেছিল।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরণের ব্লেড বের হলেও, যদি কেউ হঠাৎ ব্লেড কথাটা উচ্চারণ করে তাহলে কিন্তু সেই একই নকশার চেহারা চোখের সামনে ভেসে আসবে। এমনকি বিবিধ প্রশ্নও মাথাচাড়া দিয়ে উঠে আসতে পারে। তাই চিন্তা মুক্ত থাকাটাই শ্রেয়।