বিশেষ: “রাজা ভাত খাওয়া” নামের রয়েছে অজানা এক ইতিহাস ও লোক কথা, জেনেনিন সেই গল্প

বক্স প্রকল্পের কাছে অবস্থিত ‘রাজাভাত খাওয়া’ নামটি একটি রহস্যময় নাম। এটি একটি ছোট্ট গ্রাম, যেখানে একটিমাত্র রাস্তা আছে। গ্রামটিকে ঘিরে রয়েছে উঁচু পাহাড়। গ্রামটির নামটি শুনে অনেকেই মনে করেন যে হয়তো রাজা এখানে এসে ভাত খেয়েছিলেন। কিন্তু আসলে এর পেছনে রয়েছে আরেকটি গল্প।

কথিত আছে যে, একসময় কোচবিহারের রাজা ধৈযেন্দ্র নারায়ণ ভুটানে বন্দি হয়েছিলেন। তিনি অনেক বছর ধরে বন্দিদশায় কাটান। অবশেষে তিনি পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি কালচিনির কাছে এক জায়গায় ভাত খেয়েছিলেন। সেই জায়গাটিই আজকের ‘রাজাভাত খাওয়া’ গ্রাম।

রাজা ধৈযেন্দ্র নারায়ণ ছিলেন একজন সৎ ও দয়ালু রাজা। তিনি তার প্রজাদের খুব ভালোবাসতেন। তিনি তাদের জন্য অনেক কিছু করেছিলেন। তিনি গ্রামে একটি স্কুল, একটি হাসপাতাল এবং একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি প্রজাদের খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিলেন।

রাজা ধৈযেন্দ্র নারায়ণের মৃত্যুর পরও তার স্মৃতি আজও গ্রামবাসীদের মনে রয়েছে। তারা তাকে একজন মহান রাজা হিসেবে মনে করে। তারা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গ্রামটির নাম রাখেন ‘রাজাভাত খাওয়া’।

‘রাজাভাত খাওয়া’ গ্রামটি আজও একটি পর্যটন আকর্ষণ। প্রতি বছর অনেক মানুষ এই গ্রামটিতে ঘুরতে আসেন। তারা রাজার স্মৃতিচারণ করে এবং তার কীর্তিসমূহ সম্পর্কে জানতে চান।