“যোগ্যদের টাকা গিয়েছে অন্য অ্যাকাউন্টে!”- হাইকোর্টে মামলা উঠতেই কড়া পদক্ষেপ নিলো বিচারপতি

ক্যানিংয়ের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আবাস যোজনা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই এলাকার বেশ কয়েকজন আবাস যোজনা পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদের টাকা অন্যের অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

২০২১ সালে সিরাজুল মণ্ডল, মামুদ আলি মোল্লা, সেলিম মোল্লা, আক্রম মোল্লা এবং শামসুল মোল্লাদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম উঠেছিল।সরকারিভাবে সার্ভেও হয়েছিল।কিন্তু অন্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা গেলেও এই কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে টাকা আসেনি।স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিডিওকে জানানো হলেও কোনও সুরাহা হয়নি।হাইকোর্টে মামলা করে তারা বিচারের আশা রাখে।হাইকোর্ট বিচারপতি রবি কিষান কাপুর এই বিষয়ে প্রশাসনকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
বিডিও এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর তলব করা হয়।

কেন এই বিতর্ক?
এই ঘটনায় দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই ঘটনার ফলে সরকারি প্রকল্পগুলি নিয়ে মানুষের বিশ্বাস ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

কী হতে পারে এবার?
হাইকোর্টের নির্দেশের পরে এই ঘটনার তদন্ত হবে। যদি দুর্নীতির প্রমাণ মেলে তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনার পর সরকারি ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

ক্যানিংয়ে আবাস যোজনা নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই গুরুতর। এই ঘটনা সরকারি ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং দুর্নীতির ছবি তুলে ধরেছে। এই ঘটনার পর সরকারকে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।