ISRLvsHJB: লেবানন সীমান্তে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ ব্যাপক সংঘর্ষ, জেনেনিন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি

দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত গ্রাম আইতা আল-শাব-এ ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের খবর দিয়েছে হিজবুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে খুব কাছাকাছি দূরত্বে ‘ভারি সংঘর্ষে’ লিপ্ত। এ সময় তারা ইসরাইলি সেনাদের সমর্থনে আসা একটি মার্কাভা ট্যাঙ্কে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে হিজবুল্লাহ দাবি করেছিল যে, তারা একই গ্রামে আরেকটি ইসরাইলি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছে।

আরেকটি বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা আয়তারুন সীমান্ত গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় ইসরাইলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর একদিন আগেও তারা সেখানে ইসরাইলি সৈন্যদের প্রবেশের প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছিল।

হামাসের সঙ্গে প্রায় এক বছরের যুদ্ধের পর ইসরাইল গত মাসে লেবাননের দিকে দৃষ্টি ঘোরায়। ইসরাইলি বাহিনী তখন বলেছিল যে, তারা হিজবুল্লাহর আগ্রাসনের মুখে তাদের উত্তর সীমান্ত সুরক্ষিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই উত্তেজনার মধ্যে হিজবুল্লাহর অবস্থানের ওপর আক্রমণ বাড়ানো হয় ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল বাহিনীও পাঠানো হয়।

লেবানিজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই সংঘাতের ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কমপক্ষে ১,৫৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হিজবুল্লাহ উল্লেখ করেছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী সীমান্তবর্তী ‘কোনো গ্রামে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে বা সম্পূর্ণরূপে দখল করতে সক্ষম হয়নি’।

যদিও সম্প্রতি এক ভিডিওতে আইতা আল-শাব-এ ইসরাইলি পতাকা উড়তে দেখা গেছে। এ বিষয়ে হিজবুল্লাহর একটি সূত্র জানিয়েছে যে, গ্রামটি গত এক বছরের সংঘর্ষের মধ্যে ইসরাইলি বাহিনীর সবচেয়ে ভারি আগ্রাসনের শিকার হয়েছে। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সেখানে তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়নি।

একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে, তারা হাইফার কাছে একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একই স্থাপনায় এটি তাদের দ্বিতীয় হামলা।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা হাইফার উত্তরে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি’ ঘাঁটিতে বৃষ্টির মতো রকেট হামলা চালিয়েছে। এর আগে বুধবার একই স্থানে হামলা চালায় তারা।

হিজবুল্লাহ আরও জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরাইল সাফাদ শহরে একটি বড় ধরনের রকেট হামলা চালিয়েছে। এই হামলাটি লেবাননে ইসরাইলি আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে বলেই দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

সূত্র: আল আরাবিয়্যাহ