বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে বদলি অভীক দে-র স্ত্রী, নির্দেশ দিলো স্বাস্থ্য ভবন

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে চলছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। আর্জি করের ঘটনার পর থেকে এই কলেজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছে। এই পরিস্থিতিতে এবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রসূতি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক নূপুর ঘোষকে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে।

নূপুর ঘোষ কিন্তু সাধারণ কোন চিকিৎসক নন। তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ অভীক দে-র স্ত্রী। অভীক দে-র বিরুদ্ধে আর্জি করের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে এবং তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

কেন নূপুর ঘোষকে বদলি করা হল?

স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই বদলি করা হয়েছে। তবে সূত্র মারফত জানা যায়, গত বছর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের গেস্ট হাউসে অভীক দে-র আয়োজিত একটি বড়সড় অনুষ্ঠানের সঙ্গে নূপুর ঘোষের যোগসূত্র রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে কলেজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল।

অভীক দে-র বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ?

আর্জি করের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের গেস্ট হাউসে অনিয়মিতভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন।ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর রাজ্য শাখা এবং রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের তরফ থেকে সাসপেন্ড করা।এসএসকেএম হাসপাতাল থেকেও সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা।

কেন এই বিতর্ক?
আর্জি করের ঘটনার পর থেকে রাজ্যের স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছে। এই ঘটনাগুলি স্বাস্থ্য সেবার মানকে প্রভাবিত করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা হারাচ্ছে।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে চলছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। অভীক দে এবং তার স্ত্রী নূপুর ঘোষের বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগগুলি স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। এই ঘটনাগুলির তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।