SPORTS: জন্ম থেকেই দুর্বল পা, জেনেনিন কী ভাবে প্য়ারালিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জিতলেন প্রীতি?

প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে ভারতের পতাকা উঁচু করে ধরেছেন প্রীতি পাল। মেয়েদের ১০০ মিটার T35 ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতে তিনি ইতিহাস গড়েছেন। এই পদকের সঙ্গে ভারতের প্যারালিম্পিক্সে স্প্রিন্টে প্রথম পদকও যুক্ত হয়েছে।

একজন কৃষক পরিবারের মেয়ে, জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধীতার বিরুদ্ধে লড়াই করে প্রীতি পাল আজ বিশ্বদরবারে ভারতের নাম উচ্চ করেছেন। ছোটবেলা থেকেই পায়ের সমস্যায় ভুগলেও তিনি কখনো হার মানেননি। অসংখ্য চিকিৎসা, ক্যালিপার্স ব্যবহার সবই সহ্য করে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

প্যারালিম্পিক্স দেখেই প্রীতির মনে জেগেছিল নতুন স্বপ্ন। সোশ্যাল মিডিয়া তার এই স্বপ্নকে আরও জোরদার করেছে। আর্থিক সমস্যা সত্ত্বেও তিনি নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। ফতিমা খাতুনের মতো অন্য একজন প্যারালিম্পিক অ্যাথলিটের অনুপ্রেরণায় তিনি আরও কঠোর পরিশ্রম শুরু করেন।

দিল্লিতে গিয়ে গজেন্দ্র সিংয়ের অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রীতি নিজেকে একজন প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এশিয়ান প্যারা গেমসে চতুর্থ স্থান পেলেও তিনি হতাশ হননি। প্যারালিম্পিক্সের জন্য নিজেকে আরও বেশি করে প্রস্তুত করেন।

প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে পদক জিতে প্রীতি প্রমাণ করেছেন যে, স্বপ্ন দেখলে এবং কঠিন পরিশ্রম করলে অসাধ্য কিছুই নয়। তাঁর এই সাফল্য অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয়:

অসাধারণ ইচ্ছাশক্তি: প্রীতির জীবন গল্প প্রমাণ করে যে, অসাধ্য কিছুই নয়।

প্রতিবন্ধীতাকে সামলে উঠা: তিনি তার শারীরিক প্রতিবন্ধীতাকে কখনো বাধা হিসাবে দেখেননি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব: সোশ্যাল মিডিয়া তাঁর জীবনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে।

কোচের গুরুত্ব: গজেন্দ্র সিংয়ের মতো একজন দক্ষ কোচের তত্ত্বাবধানে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

প্রীতি পালের এই সাফল্য ভারতের জন্য গর্বের। তাঁর জীবন গল্প অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।