মঞ্চে মমতার পাশে থাকা তারকারা অসময়ে কোথায়, প্রশ্ন করলেন কুণাল ঘোষ?

বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে খুবই পরিচিত এক দৃশ্য দেখা যায় সে ২১ সে জুলাইয়ের মঞ্চ হোক আর অন্য কোথাও। টলিউডের একাধিক তারকা তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির সাথে ওঠেন গ্রুপ সেলফি। এমনকি ২১ সে জুলাইয়ের মঞ্চে টলিউড তারকাদের জন্য আলাদা করে বসার ব্যবস্থাও করা হয়। আর এবার সেই সব তারকাদেরই এক হাত নিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ।
তাঁর মতে, এই তারকাদের একাংশ দলের সুসময়ে হাত নেড়ে সামনে থাকেন। অথচ দলের সামনে কোনও বিতর্কিত ইস্যু এলে এঁরা মুখ বন্ধ করে দেন।
‘দ্য ডায়েরি অফ বেঙ্গল’ সিনেমার নাম উল্লেখ না-করেই কুণাল এ দিন ফেসবুকে লেখেন, ‘মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা এমন কিছু রাজনৈতিক ছবি করেন যা সমাজে বিজেপির পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরি করে। এ বার তো বাংলা নিয়েও কুৎসার ঝুলি আসছে।’
তাঁর সংযোজন, ‘অথচ টলিগঞ্জের বাবু/বিবিরা, যাঁরা মমতাদির পাশে, দলে, মঞ্চে, ছবির ফ্রেমে থাকেন, তাঁরা নিজেদের ইমেজ গড়তে, পেশার সৌজন্য নিয়ে ব্যস্ত। দিদির পাশে ছবি দিয়ে গুরুত্ব বাড়ান, কিন্তু মমতাদির বায়োপিক বা তৃণমূলের পক্ষে বার্তা যেতে পারে, এমন কোনও সিনেমার কথা তাঁরা ভাবেন না।’
কুনাল ঘোষের এই বার্তা প্রসঙ্গে পরিচালক অরিন্দম শীলের ব্যাখ্যা, তৃণমূল কংগ্রেসও কখনও চাইবে না বাংলায় কোনও ধরনের প্রোপাগান্ডার সিনেমা তৈরি হোক। তিনি বলেন, ‘আমি কুণালদাকে অনেকদিন চিনি। ওঁর পোস্ট দেখেছি। মনে হয়, উনি যা বলতে চেয়েছেন, তার অন্তর্নিহিত অর্থ আছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রোপাগান্ডা ছবি হয় না। আমার মনে হয়, তৃণমূল কংগ্রেসও সেটা কোনওদিন চাইবে না। তা ছাড়া এরকম প্রস্তাবও আমরা কখনও পাইনি।’
চিত্র পরিচালক-অভিনেতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারের জন্য ছবি বানাতে চাই না। তাঁরাই বানাক, যাঁরা রাজনৈতিক দলের সুবিধা পান।’
অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের কথায়, ‘শিল্পীরা আরজি করের ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ করছেন। সেটা তৃণমূলের সহ্য হচ্ছে না।’