ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এই মুহূর্তে কোন পথে? স্পষ্ট করলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

বাংলাদেশে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের পতনের পর, দেশটিতে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিবর্তনের জবাবে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন যে, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়।

একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক ওঠানামা করেছে। তবে আমরা এখনকার সরকারের সঙ্গে কাজ করব। একইসঙ্গে আমরা এই বিষয়টিও স্বীকার করি যে, রাজনৈতিক পরিবর্তন স্বাভাবিক এবং এর ফলে পূর্বের নীতিগুলোতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তাই, আমাদের উভয় দেশের জন্য উপকারী এমন কিছু ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে হবে।”

পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্র

ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক স্বার্থের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান নদী ভাগবাঁটার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য একটি ক্ষেত্র।

আঞ্চলিক প্রভাব

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন আঞ্চলিক রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, চীনের বাংলাদেশে বাড়তে থাকা প্রভাব ভারতের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।

ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। তবে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান জটিল সমস্যাগুলো সমাধান করতে এবং আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে উভয় দেশকেই একযোগে কাজ করতে হবে।