বাংলা বনধের ডাক বিজেপির, কী বলছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা? জেনেনিন কী বলল নবান্ন?

‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজে’র আন্দোলনকে আরও একবার জোরগলায় সমর্থন জানাল বিজেপি। শুধু তাই নয়, আগামিকাল, ২৮ অগাস্ট বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। সুকান্ত মজুমদার আগামিকাল, বুধবার ১২ ঘণ্টা বনধের ডাকদিয়েছেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, ‘বুধবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।’
ছাত্রদের উপর বর্বরোচিত পুলিশি আক্রমণ, রাজ্যের মহিলাদের উপর নির্যাতন এবং অসুরক্ষার প্রতিবাদে বিজেপির ডাকে আগামীকাল ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ সফল করুন।
কিছুক্ষন পর, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিজেপি যে ১২ ঘণ্টার বন্ধ ডেকেছে, সেটি সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা, ব্যবসায়ীদের কাজ, সাধারণ মানুষের জীবনযাপন এই বন্ধের কারণে ব্যাহত হবে।
সরকারি অফিস খোলা থাকবে: সরকারি কর্মচারীদের অফিসে হাজির থাকতে হবে।
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘আগামিকাল সমগ্র রাজ্যে স্বাভাবিক জনজীবন সচল থাকবে। সরকারি কর্মচারীদের সরকারি নির্দেশ, অফিস-কাছারিতে স্বাভাবিকভাবে আসবেন। দোকানপাট খোলা রাখবেন। সরকার সকল অনুকূল আইনানুগ ব্যবস্থা করবে। কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতি হলে সরকার দেখবে। যানবাহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে হবে। সকল প্রাইভেট বাস মিনিবাস চালাতে হবে। বাংলাকে সর্বক্ষেত্রে সর্বভাবে সচল রাখা হবে। বাংলার সংস্কৃতি কৃষ্টি মূলত সৌজন্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার। সেই কৃষ্টির প্রতি সম্মান জানিয়ে পুলিশ আজ সবরকম সহযোগিতা করেছে। আগামিকাল থেকে জনজীবন স্বাভাবিক থাকবে, সেই আশা পশ্চিমবঙ্গ সরকার করছে।’
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ছাত্রদের এই আন্দোলনকে স্যালুট জানাই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথম দিন থেকে নৈতিকভাবে এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছি। আমরা শুধু সাহায্য করেছি। প্রচুর অভিভাবকরাও এসেছেন। তাঁরা রাজনৈতিক রঙ ভুলে এসেছেন। কারও বাবা, কারও দাদা। আমার বোনের ধর্ষক খুনিদের ফাঁসির দাবিতে তাঁরা এসেছেন।’