“বাঁটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে!”-যোগীর মুখেও হঠাৎ উঠে এলো বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, জেনেনিন কেন ?

বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবার উঠে এলো উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কথায় ! জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এক ভাষণে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা গেল, ‘বাংলাদেশের ঘটনা থেকে সকলকে শিক্ষা নিতে হবে৷ ওখানে কী হয়েছে, দেখেছেন নিশ্চয়ই৷ সেই ভুল এখানে করলে চলবে না। আমাদের একজোট হয়ে থাকতে হবে, তা হলেই দেশের ক্ষমতায়ন সম্ভব৷ বাঁটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে, এক রহেঙ্গে নেক রহেঙ্গে (বিভাজন হলেই ধ্বংস, একজোট থাকলে সুরক্ষিত থাকব)।’

তবে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি নিয়ে বিরোধীদের বিঁধতে ছাড়েননি যোগী।

তাঁর বক্তব্য, ‘আন্তর্জাতিক ব্যাপারে বিরোধীরা মন্তব্য করতে দেরি করেন না। কিন্তু বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা প্রসঙ্গে তাঁরা সন্দেহজনক ভাবে চুপ! তাঁরা প্যালেস্তাইনের দুঃখ দেখতে পান, কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারে তাঁরা অন্ধ, কারণ তাতে ভোটব্যাঙ্ক হারানোর ভয় রয়েছে।’

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টানতে গিয়েই এ দিন আবার দলকে বিপাকে ফেলেছেন হিমাচলের মান্ডির বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রনৌত। এক্স হ্যান্ডলে তাঁর পোস্ট, ‘কৃষি আইন নিয়ে কৃষক বিক্ষোভের সময়ে দেহ ঝুলতে দেখা গিয়েছিল, কত জায়গায় ধর্ষণ হয়েছে। বাংলাদেশে মতো পরিস্থিতি তৈরির দীর্ঘ চক্রান্ত এখানেও চলছিল। কৃষকরা আসলে ভাবতেই পারেননি, তাঁদের ভালোর জন্য কেন্দ্র যে আইন এনেছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। কিন্তু আইন প্রত্যাহার করার পরও কৃষকরা ওখানে বসে রয়েছেন। আসলে দেশের লোককে ব্যবহার করে ভারতকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র ছিল এটা, যেখানে চিন, আমেরিকার মতো বিদেশি শক্তিও যুক্ত!’

কংগ্রেসের রণদীপ সুরজেওয়ালা প্রশ্ন তোলেন, ‘বিজেপির লোকেরা দেশের অন্নদাতাদের এত ঘৃণা করেন কেন? বিজেপি সব সময়ে আমাদের কৃষকদের নিয়ে মিথ্যে বলেছে, তাঁদের প্রতারণা করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। এখন প্রশ্ন হলো, কঙ্গনা কি বিজেপির নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি মেনেই কৃষকদের বিরুদ্ধে এমন ঘৃণ্য অভিযোগ আনলেন?’