‘রাজনৈতিক স্বার্থ’ নবান্ন অভিযান,-সায় নেই একাধিক পথের প্রতিবাদীদের

‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন দ্বারা আয়োজিত নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতি গরম হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন দল ও সংগঠন এই অভিযানকে নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছে:
তৃণমূল ও বামের অভিযোগ , এই অভিযান আসলে বিজেপি সমর্থিত।আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় প্রতিবাদ করা অনেকেই মনে করেন, এই অভিযান রাজনৈতিক স্বার্থকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।
বিজেপির বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই অভিযানে সামিল হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিন্তু দলের অন্যান্য নেতারা এতে সহমত নন।অনেকেই মনে করেন, এই অভিযান মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার একটি প্রচেষ্টা।
অনেকেই মনে করেন, এই অভিযানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে।এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন দল ও সংগঠনের মতামতের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় প্রতিবাদ করা সকলের মধ্যে একতা নেই।
মিছিলের অন্যতম আহ্বায়ক শতাব্দী দাসের বক্তব্য, ‘আমরা মনে করি না মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করালেই দাবি আদায় হবে। বরং উনি মানুষের ভোটে জয়ী হয়েছেন। তাই তাঁকে দায়িত্ব নিতে হবে। মানুষের দাবিগুলিকে ওঁকেই মান্যতা দিতে হবে।’
মেয়েদের রাত দখলের ডাক প্রথম দিয়েছিলেন গবেষক রিমঝিম সিনহা। তাঁর বক্তব্য, ‘২৭ তারিখে অভিযান কোনও ছাত্র সমাজের ডাকে নয়, ওটা পদ্ম-সমাজের ছদ্মবেশ। আমরা ওই ডাকের সঙ্গে সহমত নই।’
পশ্চিমবঙ্গে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযান রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করেছে এবং প্রতিবাদীদের মধ্যেও মতভেদ তৈরি করেছে। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে।