বিশেষ: মুহূর্তেই কেঁপে ওঠে চারপাশ! জেনেনিন ভূমিকম্পে কেন দুলে ওঠে পৃথিবী?

ভূমিকম্পের পিছনের আসল কারণ হলো পৃথিবীর ভেতরের শক্তির আকস্মিক বের হয়ে আসা। এই শক্তি বের হয়ে আসার সময় তৈরি করে সিসমিক তরঙ্গ। এই তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে উৎস থেকে চারদিকে।
১) প্লেট টেকটোনিক্স: পৃথিবীর ভূত্বরের বাইরের অংশ কতগুলো তক্তার মতো শক্ত অংশ দ্বারা গঠিত, যাকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো স্থির নয়, বরং ধীরে ধীরে চলমান।
প্লেটগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ: যখন দুটি প্লেট একে অপরের সাথে ধাক্কা দেয়, তখন তীব্র শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তি সিসমিক তরঙ্গ তৈরি করে, যা ভূমিকম্পের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
প্লেটগুলো আলাদা হওয়া: যখন দুটি প্লেট একে অপরের থেকে আলাদা হয়, তখনও ভূমিকম্প হতে পারে।
২) ভূগর্ভস্থ শক্তি:
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় ভূগর্ভস্থ শক্তি বেরিয়ে আসে এবং ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।
ভূগর্ভস্থ বিস্ফোরণ: ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদের খনন বা অন্যান্য কারণে ভূগর্ভস্থ বিস্ফোরণ হতে পারে, যা ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।
ভূমিকম্পের তীব্রতা:
ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়। এই স্কেলটি লগারিদমিক ভিত্তিতে তৈরি, যার মানে হলো স্কেলে প্রতি এক ধাপ বৃদ্ধির সাথে সাথে ভূমিকম্পের তীব্রতা ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়।
ভূমিকম্পের প্রভাব:
ভূমিকম্পের প্রভাব বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন:
ভূমিকম্পের কারণে ভবন ধ্বংস হতে পারে, যার ফলে প্রাণহানি ও সম্পত্তি ক্ষতি হতে পারে। ভূমিকম্পের কারণে ভূমিধস হতে পারে, যা প্রাণহানি ও সম্পত্তি ক্ষতি করতে পারে। ভূমিকম্পের কারণে সমুদ্রে সুনামি তৈরি হতে পারে, যা উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।
ভূমিকম্প প্রতিরোধ:
ভূমিকম্প পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে ভূমিকম্পের প্রভাব কমাতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, যেমন:
ভবন নির্মাণে টেকসই নকশা ব্যবহার করা।
ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও মোকাবেলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া।
ভূমিকম্প সতর্কতা ব্যবস্থা তৈরি করা