চাঁদে মাটি-জলের খোঁজে নামবে চন্দ্রযান ৪-৫, জেনেনিন কবে-কী পরিকল্পনা করছে ISRO?

চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের পর, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) চাঁদের গভীরতম রহস্য উন্মোচনের জন্য আরও অগ্রসর হচ্ছে। চন্দ্রযান-৪ এবং চন্দ্রযান-৫ মিশনের মাধ্যমে ভারত চাঁদে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।
চন্দ্রযান-৪ মিশনটি ২০২৭ সালের জন্য নির্ধারিত। এই মিশনে চাঁদের মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। এই মিশনের মাধ্যমে চাঁদের ভূতাত্ত্বিক গঠন সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান আরও বাড়বে।
চন্দ্রযান-৫ মিশনটি চাঁদের ছায়াযুক্ত অঞ্চলে অবতরণ করবে, যেখানে সূর্যের আলো কখনো পৌঁছায় না। বিজ্ঞানীরা মনে করেন এই অঞ্চলে জল বা বরফ থাকতে পারে। এই মিশনটি চাঁদের উৎপত্তি এবং তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে।
গগনযান মিশন
ভারত একটি মানবযুক্ত মহাকাশ যাত্রা প্রোগ্রাম, গগনযান নিয়েও কাজ করছে। করোনা মহামারির কারণে এই প্রকল্পে কিছুটা বিলম্ব হলেও, ইসরো আগামী বছরের শুরুর দিকে ব্যোমিত্র নামে একটি মহিলা রোবটকে মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। ব্যোমিত্রের সফল প্রত্যাবর্তন গগনযান মিশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
কেন্দ্রীয় মহাকাশ প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-৩ মিশনের ডেটা ২৩ অগাস্ট জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রকাশ করা হবে। এই ডেটা ভারতের ভবিষ্যত মহাকাশ অনুসন্ধানের পথ নির্ধারণ করবে।
চন্দ্রযান-৩ মিশন
চন্দ্রযান-৩ চাঁদে অবতরণ করেছিল, কিন্তু ল্যান্ডার এবং রোভারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ইসরো এখনও এই বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মহাকাশ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। চন্দ্রযান মিশন এবং গগনযান মিশনের মাধ্যমে ভারত মহাকাশ শক্তির দেশ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।