“চন্দননগরে ‘আঁধার'”-প্রয়াত হলেন আলোক শিল্পী বাবু পাল

চন্দননগরের আলোকসজ্জার জাদুকর বাবু পাল আর নেই। বচ্চন পরিবারের বাড়ি থেকে শুরু করে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর আলোকসজ্জা, তাঁর হাতের ছোঁয়া ছিল সর্বত্র। আলোর মাধ্যমে তিনি মানুষের মন জয় করেছিলেন। মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এক সময় কলকাতায় লোহার ব্যবসা করলেও, আলোর প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল অসীম। চন্দননগরে এসে আলোক শিল্পী আলোক প্রামাণিকের কাছ থেকে শিখে নিজের পথ তৈরি করেন। চন্দননগরের শোভাযাত্রায় তাঁর প্রথম প্রদর্শনীই তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরবর্তীতে মুম্বই, দুবাইয়েও তাঁর আলো ছড়িয়ে পড়ে। অমিতাভ বচ্চন সহ অনেক সেলিব্রিটির বাড়িতে তাঁর সৃষ্টিশীলতা দেখা যেত।
তিনি শুধু আলোকসজ্জা করতেন না, তিনি একটি গল্প বলা করতেন। রাজনীতি, সংস্কৃতি, খেলাধুলা— সব কিছুই তাঁর আলোর ভাষায় প্রকাশ পেত। তাঁর মৃত্যুতে চন্দননগরের আলো ম্লান হয়ে গেছে।
চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির কেন্দ্রীয় সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, “বাবু পালের প্রয়াণে শিল্প জগতে শোকের ছায়া। শ্রীধর দাসের পরই আলোক শিল্পী হিসেবে বাবু পালের নাম ছিল। শিল্পীদের মৃত্যু হয় না। তিনি তাঁর শিল্পের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।”