বাংলাজুড়ে বনধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে সক্রিয় প্রশাসন

আজ শুক্রবার, SUCI আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে। জেলায় জেলায় বনধের আংশিক প্রভাব পড়লেও, প্রশাসন জনজীবন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বনধ ব্যর্থ করার কথা জানিয়েছিলেন।
SUCI-এর ধর্মঘটের জেরে বেশ কয়েকটি জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের সঙ্গে SUCI কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।
কোচবিহারে, SUCI সমর্থকদের মিছিল আটকানোর পর উত্তেজনা বেড়ে যায়। পুলিশ জেলা আদালতের সামনে থেকে বনধ সমর্থকদের আটক করে এবং স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে থেকে মহিলা বনধ সমর্থকদের তুলে নিয়ে যায়।
হাওড়া স্টেশনের পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব শাখায় সাধারণ ধর্মঘটের প্রভাব খুব একটা পড়েনি। রেল সূত্রে জানা গেছে, দুই শাখাতেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলছে। কোথাও কোনও রেল অবরোধের খবর পাওয়া যায়নি। হাওড়া স্টেশনের বাইরেও ট্যাক্সি ও বাস পরিষেবা স্বাভাবিক।
SUCI-র বাংলা বনধ সমর্থনে বারাসাতের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে একটি মিছিল চাঁপাডালি মোড় অবরোধ করে। তারা আর জি কর মেডিকেল কলেজে দুষ্কৃতিদের তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা করেছে। তবে জেলায় বেশিরভাগ জায়গায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক। স্কুল-কলেজ খোলা। বনধ সত্ত্বেও অনেকে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছেছে। বারাসাত থেকে দিঘা যাওয়া একটি বাসে অশান্তির আশঙ্কায় চালক হেলমেট পরে বাস চালাচ্ছিল।
পশ্চিম মেদিনীপুরে বনধ সমর্থনকারীরা মেদিনীপুর কালেক্টরেটের সামনে বাস আটকাতে চেয়েছিল। বাস চালককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর বনধ সমর্থনকারীরা পুলিশকে ঘিরে ধরে। উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির পর পুলিশ বনধ সমর্থনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।