স্ত্রী -২ এর ক্লাইম্যাক্সে রয়েছে ভরপুর সারপ্রাইজ! জেনেনিন কেমন হল শ্রদ্ধা, রাজকুমারের সিনেমা ?

“স্ত্রী” ছবির প্রথম পর্বে নারীরা পুরুষদের শিকার করেছিল। কিন্তু এই গল্পে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। চান্দেরি গ্রামে এবার নতুন এক ভয়ঙ্কর দানব, মুণ্ডহীন, আবির্ভূত হয়েছে। এই মুণ্ডহীন মহিলাদের লক্ষ্য করে, তাদের অপহরণ করে। গ্রামে আবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগে যেখানে দেওয়ালে লেখা ছিল, “হে নারী রক্ষা কর,” সেখানে এখন মানুষ ভিন্ন এক ভয়ে কাঁপছে।

বিট্টু, অপরশক্তি, তার প্রেমিকা চিট্টিকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে। অন্যদিকে, রাজকুমার রাও অর্থাৎ বিক্কি এখনও তার রহস্যময় প্রেমিকার খোঁজে। শ্রদ্ধা কাপুর চান্দেরিতে ফিরে এলেও, মুণ্ডহীন রুদ্রের নর্তকী শামাকে অপহরণ করে। বিট্টুসহ অনেক পুরুষকে আটকে দিয়ে মুণ্ডহীন নারীর স্বাধীনতায় বাধা দেয়। রুদ্র, শ্রদ্ধা, বিক্কি, এবং জানা মিলে মুণ্ডহীনকে ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা করে।

পরিচালক অমর কৌশিক মজার মুহূর্ত আর ভয়ের মিশ্রণে গল্পটাকে রোমাঞ্চকর করে তুলেছেন। মুণ্ডহীনের আবির্ভাব থেকে শুরু করে, গ্রামের মানুষের ভয় আর তার ফলে সৃষ্ট হাস্যকর পরিস্থিতি, দর্শকদের মন জয় করে নেবে। দ্বিতীয়ার্ধে গল্পটি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ভিএফএক্সের দারুণ ব্যবহারে মুণ্ডহীনের জগৎটাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা হয়েছে। ক্লাইম্যাক্সে বরুণ ধাওয়ান আর অক্ষয় কুমারের এন্ট্রি ছবিটাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে। পরিচালক নারী স্বাধীনতার বিষয়টিকেও মজার উপায়ে তুলে ধরেছেন।