“বউয়ের পেটে লাথি মেরেছিল সন্দীপ”-বিস্ফোরক দাবি RG Kar -এর প্রাক্তন প্রধানের প্রতিবেশীদের

আরজি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর রহস্যময় ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম জড়িয়ে পড়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠে আসছে। শুধু হাসপাতালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাই নয়, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ:
বারাসতের হৃদয়পুরে যেখানে সন্দীপ ঘোষ বসবাস করতেন, সেখানকার প্রতিবেশীরা দাবি করেছেন যে তিনি অত্যন্ত কঠোর স্বভাবের এবং নির্মম ব্যবহার করতেন। তাঁর নিজের চেম্বারে রোগীদের সঙ্গেও তিনি খুব খারাপ ব্যবহার করতেন। রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিলেও, রিপোর্ট দেখানোর জন্য আবার ফি দিতে হতো।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হল, সন্দীপ ঘোষ তাঁর স্ত্রীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। সন্তান প্রসবের পরও তিনি তাঁর স্ত্রীর পেটে লাথি মেরেছিলেন বলে প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা তাঁকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।
আরজি কর হাসপাতালে ঘটনা:
আরজি কর হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পর সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দাবি উঠেছিল। তাঁকে অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও, তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদে বদলি করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিল।
সামাজিক প্রভাব:
সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগগুলি সমাজে একটি গুরুতর প্রশ্ন তুলে ধরেছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মরত একজন ব্যক্তির পক্ষ থেকে এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি দেখায় যে, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নির্যাতন শুধুমাত্র নিম্নবর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের মধ্যেও দেখা যায়।