আরজি করে বন্ধ আউটডোর, অবস্থা বিপজ্জনক, চরম বিপাকে রোগীর আত্মীয়রা

কলকাতার এক তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জেরে দেশ জুড়ে চিকিৎসকরা রাস্তায় নেমেছিলেন। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের সেবা করে চলা এই চিকিৎসকরা নিরাপত্তার দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন। দিল্লি AIIMS-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহু হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিল।
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার হস্তক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হবে, যা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা রোধে একটি নতুন আইন প্রণয়নের দিকে কাজ করবে।
চিকিৎসকরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি। তাদের মতে, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যতক্ষণ না পর্যন্ত কঠোর আইন প্রণয়ন করা হয় এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হয়, ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে। তাদের স্লোগান, “নো সেফটি, নো ডিউটি”।
আরজি কর হাসপাতালে ঘটনার জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় রোগী সেবা সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সকল সরকারি হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবন যাতনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে, আরজি কর হাসপাতালে আউটডোর বন্ধ থাকায় রোগী ও তাদের পরিজনরা চরম বিপাকে পড়েছেন।