“মেয়ে বলত, আরজি কর যেতে ভাল লাগে না”-‘সুপারি কিলিং’-এর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পরিবারের

আরজি কর মেডিকেল কলেজের নিহত ছাত্রীর বাবা-মা অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং সিনিয়র ডাক্তারদের থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের মতে, তাদের মেয়েকে প্রায়শই ৩৬ ঘন্টা কাজ করতে হতো এবং পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে একা রাখা হতো।
নির্যাতিতার বাবা এমনকি সুপারি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন। যদিও তিনি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি, তবে তার এই বক্তব্য তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে।
নির্যাতিতার মা অভিযোগ করেছেন যে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে যেতে মেয়ের ভালো লাগত না এবং কাজ ঠিকমতো করতে পারছিল না। তিনি আরও জানান, মেয়ে প্রায়ই বলত, “আমার আরজি করে যেতে ভাল লাগে না।”
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা সোমবার আরজি কর কলেজের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করবেন। তারা জরুরি বিভাগের কাজ বন্ধ রাখারও হুমকি দিয়েছেন।
এদিকে, এই ঘটনার পর পুলিশ নারী সুরক্ষার জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলেও, এই ঘটনার পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।