নিরাপত্তা চায় দুই ক্যাম্পাসই, এবার CCTV প্রশ্ন উঠলো যাদবপুর-আরজি করে

আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার জেরে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবনাচিন্তা করছে। রবিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু এই তথ্য জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে আরজি কর হাসপাতালে এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, ঠিক এক বছর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ের জেরে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল। এই দুই ঘটনাই রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দুই ঘটনাতেই নিরাপত্তা এবং ন্যায় বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এসেছে। এমনকী, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার প্রতিবাদে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দিয়েছে।
যদিও উভয় প্রতিষ্ঠানেই নিরাপত্তার দাবি উঠেছে, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে দুটি ভিন্ন মতাবৈষম্য দেখা গেছে। গত বছর যাদবপুরে এক ছাত্রের মৃত্যুর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ ছাত্রছাত্রী সিসিটিভি চাইনি। কিন্তু আরজি করের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি স্থাপনের দাবি তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেছেন, “আরজি করের ঘটনা আমাদের নতুন করে ভাবাচ্ছে। ইতিমধ্যেই মেন হস্টেলের করিডরে সিসিটিভি বসানোর প্রস্তাব এসেছে আমাদের কাছে। সে ব্যাপারে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে।”
সোমবার তিনি হস্টেল ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একটি বৈঠক করবেন। যাদবপুরের মেন হস্টেলে ছাত্র মৃত্যুর পরে জানা গিয়েছিল যে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা তো দূর, অ্যান্টি-র্যাগিং আইন পর্যন্ত মানা হয়নি। একইভাবে, আরজি কর হাসপাতালে ঘটনাবহুল পরিস্থিতিতে সিসিটিভির অভাব এবং নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে, শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো দশ দফা তালিকায় সিসিটিভি স্থাপনকে সর্বপ্রথম স্থান দিয়েছে।