৪২ হাজার কর্মী ছাঁটাই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ে, জোর দেয়া হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর

মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যাপক কর্মীছাঁটাইয়ের ঘটনা দেশের শিল্প ও বাণিজ্য জগতে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে কী কারণ এবং এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

রিলায়েন্সের মতো একটি বিশাল সংস্থা ডিজিটাল যুগে নিজেকে মানিয়ে নিতে চাইছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ফলে অনেক কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে কর্মীর প্রয়োজন কমে যাচ্ছে।

কোভিড-১৯ মহামারী এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কোম্পানিগুলিকে খরচ কমানোর উপর জোর দিতে হচ্ছে। কর্মী ছাঁটাই এই কৌশলের একটি অংশ।

রিলায়েন্স নতুন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রবেশ করছে এবং বিদ্যমান ব্যবসায়কে আরও দক্ষ করে তুলতে চাইছে। এই প্রক্রিয়ায় কর্মী সংখ্যা কমাতে হতে পারে।

রিটেল সেক্টরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব:

রিলায়েন্সের রিটেল সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। এর কারণ হতে পারে অনলাইন শপিংয়ের বৃদ্ধি এবং অটোমেশনের ফলে দোকানে কর্মীর প্রয়োজন কমে যাওয়া।

নতুন নিয়োগের হার কমেছে:

রিলায়েন্স শুধুমাত্র কর্মী ছাঁটাইই করছে তা নয়, নতুন নিয়োগের হারও কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বেকারত্বের হার বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভবিষ্যতে কী হবে?

কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে রিলায়েন্সের ব্যবসায়ের উপর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ, অভিজ্ঞ কর্মীদের চলে যাওয়ার ফলে উৎপাদনশীলতা কমতে পারে।কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে হাজার হাজার লোকের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারকে এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের পুনর্বাসনের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

রিলায়েন্সের কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে যে, ডিজিটাল যুগে কর্মসংস্থানের বাজার কতটা অস্থির। কোম্পানিগুলিকে লাভের পাশাপাশি কর্মচারীদের কথাও ভাবতে হবে। সরকারকেও এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের সহায়তা করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।