মিড ডে মিলের রিপোর্ট দিতে দেরি, মালদার ২০টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের ২০টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই স্কুলগুলি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মিড-ডে মিলের মাসিক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) তাদের বেতন থেকে মিড-ডে মিলের অর্থ কেটে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, ৯ অগস্টের মধ্যে মিড-ডে মিলের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বেশিরভাগ স্কুল এই নির্দেশ অমান্য করেছে। ফলে, বিডিও তাপস পাল একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে যে, এই স্কুলগুলি যেহেতু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই তাদের আগামী মাসের মিড-ডে মিলের জন্য বরাদ্দ অর্থ দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, এই অর্থ সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের নিজস্ব বেতন থেকে পরিশোধ করতে হবে।

কেন এই কড়া ব্যবস্থা?

মিড-ডে মিল প্রকল্পটি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার লক্ষ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য সঠিক তথ্য রাখা এবং নিয়মিত রিপোর্ট জমা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রিপোর্ট জমা না দেওয়ার ফলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

কী হতে পারে এর ফলাফল?

এই ঘটনাটি স্কুল কর্তৃপক্ষকে মিড-ডে মিল প্রকল্পের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি, এটি অন্যান্য স্কুলগুলিকেও সতর্ক করে দেবে। তবে, এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।