“আন্দোলনকারীদের প্রয়োজনে গুলি করা যাবে”- জানাল বাংলাদেশ হাইকোর্ট

বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ সহ একাধিক দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন রবিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছে।

হিংসা ও প্রাণহানি:

ঢাকার শাহবাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলনকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মুন্সিগঞ্জে দুইজন, মাগুড়ায় একজন ছাত্রদলের নেতা এবং রংপুরে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।এই সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

সরকারের পদক্ষেপ:

এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে এবং ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো না করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তবে আদালত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুলি চালানোর ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।

আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালিয়েছে। তারা গুলিবর্ষণ বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আদালতে একটি রিট আবেদন করেছিল।

আদালত জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুলি চালানোর ক্ষেত্রে পুলিশ প্রবিধান মেনে চলতে হবে। জীবন রক্ষার্থে সর্বশেষ উপায় হিসেবেই গুলি চালানো যাবে।

বাংলাদেশে চলমান এই আন্দোলন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে।

শুনানিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ বলে, ‘সব মৃত্যুই আমাদের জন্য দুঃখজনক। আমরা এমন কোনও কাজ করব না, যাতে জাতির ক্ষতি হয়।’