বিশেষ: ইস্ত্রি চালিয়ে সংসার চালান বাবা, ছেলে হলেন CA, খুশি পরিবারের সকলে

রাজকিশোর রোজ ভোরের আলো ফুটতেই বেরিয়ে পড়েন বালিগঞ্জের একটি বহুতল আবাসনে কাজের জন্য।গত ২৫ বছর ধরে তিনি এই কাজ করে আসছেন।
দিনের বেশিরভাগ সময় তিনি পার্কিং লটে জামাকাপড় আয়রন করে কাটান।রাতে তিনি হলঘরে বিছানা পেতে শুয়ে পড়েন।নিজের কোনও ঘর নেই।
তবুও তিনি তার দুই সন্তানকে উচ্চশিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখেন।

ছেলে আমনকুমারকে সিএ এবং মেয়ে অনামিকাকে ব্যাংক কর্মী বানাতে চান।রাজকিশোর নিজে ম্যাট্রিক পাশ করেছেন।তিনি জানেন যে, শিক্ষাই তাদের সন্তানদের জীবন উন্নত করতে পারে।তাই তিনি তাদের পড়াশোনার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেন।ছেলে আমন সিএ পাশ করেছেন এবং বেশ কিছু ভালো চাকরির অফার পেয়েছেন।মেয়ে অনামিকাও ব্যাংকে চাকরি পেয়েছেন।রাজকিশোর তার সন্তানদের সাফল্যে অত্যন্ত গর্বিত।তিনি মনে করেন যে, তাদের পরিশ্রম এবং ত্যাগ সার্থক হয়েছে।

এই বাস্তব গল্পটি আমাদের শেখায় যে, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।রাজকিশোর রজকের গল্প আমাদের অনুপ্রাণিত করে যে, আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন পূরণে তাদের পাশে থাকা উচিত।শিক্ষা জীবনে সাফল্যের চাবিকাঠি।আমাদের সকলের উচিত আমাদের সন্তানদের ভালো শিক্ষা দানের জন্য চেষ্টা করা।

রাজকিশোর রজকের গল্প অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।তিনি আমাদের দেখিয়েছেন যে, দারিদ্র্য বা অশিক্ষা সফলতার পথে বাধা হতে পারে না।
দৃঢ় সংকল্প এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।