সোমবারই স্টক শেষ, মঙ্গলবার থেকে বাংলার বাজারে মিলবে না আলু! কি বললেন মন্ত্রী?

প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ীদের ডাকা কর্মবিরতির ফলে সোমবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন হিমঘর থেকে আলু বের করা হচ্ছে না। এর ফলে বাজারে আলুর জোগান কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আলুর দাম ইতিমধ্যেই বেড়ে গেছে। সোমবার কলকাতার বাজারে জ্যোতি আলু বিক্রি হয়েছে ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা এবং চন্দ্রমুখী ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে।

এক ক্রেতার কথায়, “বাজার বেরোলে মাথা হাত পড়ছে দাম শুনে। মুখে রাজনৈতিক নেতৃত্বরা যে কথা বলছেন, তার কিন্তু কোনও প্রতিফলন বাজারে বেরোলে দেখা যায় না। আগের যা পরিস্থিতি, তাই রয়েছে। নির্দেশ দেওয়া, কার্যকারী হওয়া, তার মধ্যেই বিস্তর ফারাক। আগে কিছু না হলে মানুষ বলত আলুসেদ্ধ ভাত খাব, কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতিটাও আর নেই। মানুষ সেটাই বা বলে কীভাবে।”

এক আলু ব্যবসায়ী বলেন, “বন্ধে কিন্তু ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতি। আলু তো স্টকে থেকে যাবে। আলু বেরিয়ে গেলেই ভালো। কিন্তু পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, যে বন্ধ ডাকতে বাধ্য হয়েছে। ”

আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ, যেমন বাজারে ট্রাক্সফোর্স অভিযান ও হিমঘরে তদন্ত।বিভিন্ন রাজ্যে আলুর গাড়ি আটকে দেওয়া ও পুলিশের হয়রানি।
আলুর যোগান বৃদ্ধির জন্য ন্যায্যমূল্যের আলু বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগকে সরকারের অনীহা।

মন্ত্রী বেচারাম মান্না বললেন, “আলুর দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। আমরা সকলকেই অনুরোধ করেছি, যাতে একবারে না বাড়ে। দেখা যাচ্ছে, সরকারি নির্দেশিকা দিয়েছি। তাঁদের কর্মবিরতি নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা করে একটা রাস্তা বেরোবে।”

বাজারে আলুর সরবরাহ কমে দাম বাড়তে পারে।সাধারণ মানুষের ক্ষতি হতে পারে।আলু ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতি হবে কারণ স্টকে আলু পড়ে থাকবে।