“বারবার মামলা পিছিয়ে দেওয়ার পেছনে আছে রহস্য” DA মামলা নিয়ে বিস্ফোরক সরকারি কর্মীরা

কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘসূত্রিতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বারবার মামলা পিছিয়ে দেওয়ার পেছনে আছে কিছু রহস্য।”
মলয়বাবু আরও বলেন, “সাধারণত সুপ্রিম কোর্টে মামলা শোনার পরে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এই ডিএ মামলায় কী আছে? কেন বারবার ছয় মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে?”
তিনি অভিযোগ করেন, “সরকার এই মামলা দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু নভেম্বর মাস পর্যন্তও শুনানি হয়নি। এরপর থেকেও বারবার কজলিস্টে উঠলেও মামলা শোনা হচ্ছে না।”
মলয় মুখোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, “বিস্তারিত শুনানি এবং দীর্ঘায়িত মামলার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? যদি দীর্ঘায়িত শুনানি প্রয়োজন হয়, তাহলে বারবার কজলিস্টে উঠিয়ে শোনা হচ্ছে না কেন?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা দিনের পর দিন অনাস্থা এনে যাব দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি। হাই কোর্ট চারটি রায় এবং ট্রাইবুনাল দুটি রায় দিয়েছে যে ডিএ সাংবিধানিক অধিকার। সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেনি। তাহলে সুপ্রিম কোর্টের এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণ কি?”
মলয়বাবুর এই বক্তব্য স্পষ্টতই সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। তিনি মনে করছেন, ডিএ মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘসূত্রিতা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মীদের পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ প্রদানের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছে রাজ্য সরকার।