“সবাইকে একদিন মরতে হবে”-হাথরসকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করলেন বিতর্কিত ধর্মগুরু ভোলেবাবা

হাথরসে পদপিষ্ট হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ‘গভীর বিষণ্ণতা’ প্রকাশ করে নতুন ভিডিও বার্তা দিয়েছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু ‘ভোলে বাবা’ নারায়ণ সাকার হরি। কিন্তু এই ভিডিয়ো বার্তাতেই মৃত্যু নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন যা অনেকের কাছেই অসংবেদনশীল মনে হচ্ছে।

ভোলে বাবা বলেছেন, “সবাইকে একদিন মরতে হবে, শুধু সময় নির্দিষ্ট। যে এসেছে তাকে যেতেই হবে, কেউ আগে যাবে, কেউ পরে যাবে।”

যদিও ভিডিওতে হাথরস ঘটনার জন্য তিনি ‘গভীর বিষণ্ণতায়’ রয়েছেন বলে দাবি করেন।

উত্তরপ্রদেশের হাথরসে পদপিষ্ট হয়ে নিহতদের পরিবারের ক্ষত এখনও তাজা। দুর্ঘটনার কারণও জানা যায়নি এখনও পর্যন্ত। তারই মধ্যে একাধিকবার ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন ভোলে বাবা। বুধবারের ভিডিয়ো বার্তায় আরও একবার হাথরসের দুর্ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনেন তিনি।

ভোলে বাবার দাবি, কিছু লোক তাঁর মানহানি করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “সিট এবং বিচার বিভাগীয় কমিশনের তদন্তে আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমাদের সকল ভক্তদেরও পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তদন্তে আসল ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়টি সামনে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এপি সিংয়ের মাধ্যমে কমিটির কমিটির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম, মৃতদের পরিবার ও চিকিৎসাধীন আহতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ইতিমধ্যেই সকলের পাশে দাড়িয়েছি আমরা।”

জানা গিয়েছে, ভোলে বাবার জন্ম কাসগঞ্জ জেলায়। ২০১৩ সালে হাথরসে এসেছিলেন। এরপর ২০২৩ সালে মাত্র একদিনের জন্য আসেন। পেনশনের টাকাও তিনি এখানকার মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেন। ভোলে বাবার দাবি, জনগণের অনুরোধেই নাকি আবার সেখানে আসেন তিনি। স্বাস্থ্য সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি সেখানেই থাকতে শুরু করেন তিনি।

ভোলে বাবার আইনজীবীর দাবি, নারায়ণ সাকার হরি সকলের পাশে দাঁড়াতে চান। কারো বাবা-মা চলে গেলে তাঁদের মেয়ের পড়াশোনার কোনও ক্ষতি যাতে না হয় সে বিষয় চিন্তিত তিনি। হাতরসের ঘটনায় মৃত এবং আহতদের পরিবারের পাশে সারাজীবন থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।