“কেউ কম দামে সবজি বিক্রি করতে চাইলে তাদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে”-মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

বাজারে টাস্ক ফোর্সের উপস্থিতিতে দাম কমলেও, তাদের চলে যাওয়ার পরই আবার চড়ে যাচ্ছে আনাজের দাম। অভিযোগ, খুচরো বিক্রেতারা মিলে এই দাম বাড়ানোর খেলা চালাচ্ছে। টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের মনে হচ্ছে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ:

গত দেড়-দু’সপ্তাহ ধরে আনাজের দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল আনাজপত্র।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৯ জুলাই বৈঠক করে ১০ দিনের মধ্যে দাম কমানোর নির্দেশ দেন।

টাস্ক ফোর্সের অভিজ্ঞতা:

টাস্ক ফোর্স বাজারে নামলে পাইকারি ও খুচরো বাজারের দামে বিরাট ফারাক ধরা পড়ে।
দ্বিতীয় দিন মানিকতলা বাজারে বিক্রেতাদের সাথে বচসাও হয় টাস্ক ফোর্সের। দাম কমাতে বাধ্য হন বিক্রেতারা।
কিন্তু টাস্ক ফোর্স চলে যাওয়ার পরই আবার দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
বারবার একই ঘটনা। টাস্ক ফোর্স থাকাকালীন ন্যায্য দাম, তাদের চলে যাওয়ার পর মুখোশ খুলে বিক্রেতারা।

কারণ:

খুচরো বিক্রেতাদের একাংশের অভিযোগ, পাইকারি বাজারের থেকে অনেক বেশি দামে বিক্রি করাই এক রকম অলিখিত নিয়ম।
কেউ কম দামে বিক্রি করতে চাইলে তাদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
টাস্ক ফোর্সের হাতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই।

** সমাধান:**

টাস্ক ফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোন বলছেন, “এই যে আমরা চলে এলে দাম বেড়ে যাচ্ছে, এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
রিপোর্টে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হবে।
প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

টাস্ক ফোর্স আছে তবুও আনাজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রীর রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সাধারণ মানুষ।