‘জনপ্রিয় হওয়ার এত শখ?’-আম্বানিদের বিয়েতে শঙ্করাচার্যের উপস্থিতি, ক্ষোভ প্রকাশ সাধু সমাজের

মুম্বই: রিলায়েন্স কর্ণাধার মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্তের বিয়ের অনুষ্ঠানে জ্যোতির্মঠ ও দ্বারকা পীঠের শঙ্করাচার্যদের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির প্রধান জিতেন্দ্রানন্দ মহামন্ত্রী এই উপস্থিতি এবং শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেস্বরানন্দের উদ্ধব ঠাকরের সাথে সাক্ষাৎ নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।

সাধু সমাজের অভিযোগ:

মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়েতে উপস্থিতি: জিতেন্দ্রানন্দ মহামন্ত্রী বলেন, “সন্ন্যাসীরা কখনোই বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন না। তাও কেন শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেস্বরানন্দ আম্বানিদের অনুষ্ঠানে গেলেন?”

উদ্ধব ঠাকরের সাথে সাক্ষাৎ: জিতেন্দ্রানন্দ মহামন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সময় পালঘরে সাধুদের হত্যাকাণ্ডের কথা তুলে ধরে বলেন, “উদ্ধব ঠাকরের সাথে শঙ্করাচার্যের সাক্ষাৎ নিয়ে ঘোরতর আপত্তি সাধু সমাজের।”

শঙ্করাচার্যের বক্তব্য:

শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেস্বরানন্দ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের শত্রু নন। আমরা মোদীর শুভাকাঙ্খী। সবসময় তাঁর কল্যাণই চাই।”
তিনি আরও বলেছেন, “আমরা সর্বদা প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ কামনাই করেছি। তবে কল্যাণ কামনা একদিকে আর কেউ ভুল করে তাঁর সমালোচনা করা একদিকে। মানুষের কল্যাণ কামনা আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য। তবে দরকার পড়লে সমালোচনার থেকে পিছপা হব না। যদি মোদী কোনও ভুল করেন তবে তা অবশ্যই তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেব।”

কেদারনাথ মন্দির থেকে সোনা চুরির অভিযোগ:

শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেস্বরানন্দ অভিযোগ করেছিলেন, “কেদারনাথ মন্দির থেকে ২২৮ কেজি সোনা উধাও হয়ে গিয়েছে।”জিতেন্দ্রানন্দ মহামন্ত্রী শঙ্করাচার্যকে “সোনা চোর” বলে অভিহিত করেছেন।

এই ঘটনার পরিণতি:
এই ঘটনায় সাধু সমাজের মধ্যে শঙ্করাচার্যের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এই বিতর্ক কতদিন স্থায়ী হবে এবং এর কী পরিণতি হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।