জগন্নাথের রত্ন ভাণ্ডারে মিললো সোনার মুকুট, হীরের নেকলেস! আর কী কী পাওয়া গেলো?

দীর্ঘ ৪৬ বছর পর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রহস্যময় রত্ন ভাণ্ডার খোলা হয়েছে। গত রবিবার ওডিশা সরকারের পক্ষ থেকে গঠিত একটি ১১ সদস্যের কমিটি এই সিক্রেট চেম্বারে প্রবেশ করে দুটি কুঠুরিতে ঠাসা রাশি রাশি সোনাদানা এবং অন্যান্য রত্ন উন্মোচন করে।

কী কী মূল্যবান সম্পদ রয়েছে রত্ন ভাণ্ডারে?

ভগবান জগন্নাথদেবের জন্য ভক্ত ও রাজাদের দ্বারা দান করা অগণিত পরিমাণ সোনা এবং হীরা।
রাজা অনঙ্গভীমাদেব জগন্নাথদেবের গয়না তৈরির জন্য দেড় হাজার কেজি সোনা দান করেছিলেন।

দুটি কুঠুরি: ভিতর ভাণ্ডার এবং বহির ভাণ্ডার।

বহির ভাণ্ডারে:

জগন্নাথদেবের সোনার মুকুট
১২০ তোলা ওজনের তিনটি হরিদাকান্তি মালি নেকলেস
জগন্নাথদেব এবং বলরামের সোনার বাহু ও পা
ভিতর ভাণ্ডারে:
৭৪টি সোনার গয়না (প্রতিটি ১০০ তোলা ওজনের)
সোনা, হীরা, কোরাল, মুক্তা দিয়ে তৈরি থালি
১৪০ রকমের রুপোর গয়না

জগন্নাথের অলঙ্কার:
সোনার ময়ূরের পালক
কপালে পরার সোনার পট্টি (চালুপাটি নামে পরিচিত)
সোনার কানের দুল (শ্রীকুণ্ডল)
সোনার কদম্ব মালা
সোনার চক্র, গদা, পদ্ম এবং শাঁখ
রত্নখচিত ত্রিনয়ন (জগন্নাথ ও সুভদ্রার জন্য) – ঝলমলে পান্না সহ

অন্যান্য:
রত্নখচিত বিভিন্ন অলঙ্কার
সোনার থালা
ধাতুর তৈরি মূর্তি

কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য:

রত্ন ভাণ্ডারের চাবি বিগত ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে খুঁজে পাওয়া যায়নি।ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে খোলার চেষ্টা বিফল হয়।শেষ পর্যন্ত ভিতরের কুঠুরির তালা ভাঙতে হয়।বাইরের কুঠুরি থেকে সকল অলঙ্কার সিন্দুকে ভরে অস্থায়ী ভল্টে রাখা হয়েছে।ভিতরের কক্ষ থেকে কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি।
সময়ের অভাবে মাঝপথে কাজ বন্ধ করতে হয়।