বাবার দোকান ভাঙা পড়ায় কাঁদছিলো দুই মেয়ে, বোলপুরের সেই হকারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন

বীরভূমের রাজু দাস সরকারি জমির উপর বেআইনিভাবে দোকান চালাচ্ছিলেন। বিষয়টি প্রকাশিত হলে প্রশাসন আইন মেনে তার দোকান সরিয়ে দেয়। রাজুর দুই মেয়ে বাবার ভাঙা দোকান দেখে কাঁদতে থাকে। এই মর্মস্পর্শী দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাজুর জন্য বিকল্প রুজির ব্যবস্থা করার কথা ভাবছিল প্রশাসন।
প্রশাসনিক আশ্বাস:
কয়েক সপ্তাহ পর, প্রশাসন রাজুকে ডেকে ঠেলাগাড়িতে খাবারের দোকান শুরু করার প্রস্তাব দেয়। দোকান শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ প্রশাসনই বহন করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়।
নতুন জটিলতা:
প্রশাসনিক আশ্বাস থাকলেও নতুন ব্যবসা করার জায়গা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। রাজু ডিজিটালকে জানান, নর্দমার সামনে ঠেলাগাড়িতে খাবার বিক্রি করতে সমস্যা হবে কারণ নর্দমার দুর্গন্ধ এবং বর্ষাকালে জল জমে যাবে। অন্য কোথাও দোকান ভাড়া নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না কারণ ভাড়া অনেক বেশি।
মহাকুমা শাসকের বক্তব্য:
বোলপুরের মহাকুমা শাসক অয়ন নাথ বলেন, রাজু ঠেলাগাড়ি নিতে রাজি না হলেও তার সাহায্য করা হবে। তার বাড়িতে লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে এবং তার দুই সন্তানের টিউশন বা পড়াশোনার বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।