Marriage Loan-নিয়ে বিয়ে করবেন ভাবছেন? তার আগে পড়েনিন এই প্রতিবেদন

ভারতে বিয়ে মানেই ধুমধাম। রীতিনীতি ঠিক আছে, কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা না করেই অপ্রয়োজনীয় খরচ করা হয়। দামী গয়না, বিলাসবহুল খাবার, আরও কত কিছু! অনেক পরিবার বিয়ের জন্য আলাদা করে টাকা জমা করে থাকে। কিন্তু বাজারের দ্রুতগতিতে বাড়ন্ত দামের সাথে তাল মিলিয়ে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং বা থিম ওয়েডিং-এর জনপ্রিয়তার কারণে খরচ আরও বেড়েছে।
তবে চিন্তা নেই, বাবা-মায়ের উপর থেকে অতিরিক্ত বোঝা কমানোর জন্য বেশ কিছু উপায় আছে।
খরচ কমানোর কিছু টিপস:
বাজেট তৈরি করুন: বিয়ের আগে একটি নির্দিষ্ট বাজেট তৈরি করুন এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করুন। প্রতিটি খাতের জন্য আলাদা করে টাকা বরাদ্দ করুন এবং সেই সীমা অতিক্রম করবেন না।
অতিথি তালিকা ছোট রাখুন: অতিথিদের সংখ্যা কমিয়ে খাবার, বসার ব্যবস্থা, অন্যান্য খরচ অনেকটা কমানো সম্ভব। শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান।
সরল অনুষ্ঠান: জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের পরিবর্তে সরল অনুষ্ঠানের আয়োজন করুন। বিবাহের আনন্দ কমে যাবে না, বরং খরচ অনেক কম হবে।
পোশাক: নকশাকারের জামাকাপড়ের পরিবর্তে সাশ্রয়ী মূল্যের পোশাক কিনুন। বাজারে অনেক সুন্দর পোশাক পাওয়া যায় যা আপনার বাজেটের মধ্যে থাকবে।
ভেনু: বিখ্যাত বা ব্যয়বহুল ভেনুর পরিবর্তে সাশ্রয়ী মূল্যের ভেনু বেছে নিন। শহরের বাইরে বা গ্রামাঞ্চলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেও অনেক টাকা বাঁচানো সম্ভব।
স্বयं সেবা: ডেকরেশন, ক্যাটারিং, ফটোগ্রাফি ইত্যাদির জন্য বাইরের লোকের পরিবর্তে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা সাহায্য করতে পারে।
ঋণ এড়িয়ে চলুন: বিয়ের জন্য ঋণ নেওয়া একটি ভাল ধারণা নয়। ঋণের উপর সুদের বোঝা আপনার উপর চাপ সৃষ্টি করবে।
কম বয়স থেকে টাকা জমান:
বিয়ের জন্য আগে থেকে টাকা জমানো শুরু করুন। নিয়মিত কিছু টাকা জমানোর অভ্যাস করুন। এতে বিয়ের সময় অর্থনৈতিক চাপ কমবে।
শেষ কথা:
বিয়ের আনন্দ কেবল জাঁকজমক বা অপ্রয়োজনীয় খরচের উপর নির্ভর করে না। সামর্থ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা করে, খরচ কমিয়েও একটি সুন্দর ও আনন্দময় বিয়ে করা সম্ভব।