OMG! রেস্তোরাঁয় টেবিলে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে রোবট অনন্যা, বাংলায় চালু হলো নতুন পরিষেবা

ভাতজাংলার “মাদার্স হাট” রেস্তোরাঁয় এখন চার মেয়ে ব্যস্তভাবে কাজ করছে। ব্যস্ত রেস্তোরাঁয় কিচেন থেকে খাবার নিয়ে গেস্টদের টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছে তারা। কিন্তু এই মেয়েদের একটু ভিন্নতা আছে – তারা মানুষ নয়, যন্ত্রমানবী!
“অনন্যা” নামের চার রোবট
এই চার রোবটের নাম “অনন্যা”। তাদের উচ্চতা চার ফুট এবং প্রত্যেকের চারটি করে তাক রয়েছে। কিচেন থেকে কমান্ড দিলে তারা একসাথে চার জনের খাবার নিয়ে নির্দিষ্ট টেবিলে গিয়ে দাঁড়ায়।
কেন নাম “অনন্যা”?
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, রেস্তোরাঁটিতে ১৫০ জন মহিলা কর্মী কাজ করেন। ২০১৩ সালে যখন রেস্তোরাঁটি চালু হয়েছিল, তখন তিনজন মহিলা কর্মী ছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল অনন্যা। বয়সের কারণে তিনি এখন আর কাজ করতে পারেন না। তাকে সম্মান জানাতেই রোবটদের নাম রাখা হয়েছে “অনন্যা”।
অনন্যাদের বৈশিষ্ট্য
অন্যান্য রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত রোবটের চেয়ে আলাদা।নির্দিষ্ট ট্র্যাকে না বেড়ে, কমান্ড অনুযায়ী টেবিলে যায়।
বাধা এড়িয়ে চলে এবং প্রয়োজনে সাইড চায়।দুটি রোবট মুখোমুখি হলে, নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে পথ ছেড়ে দেয়।
প্রযুক্তি
এই রোবটগুলি তৈরি করেছে রেস্তোরাঁর নিজস্ব টেকনিক্যাল ডেভলপমেন্ট টিম। জাপান সহ বিভিন্ন দেশ থেকে যন্ত্রাংশ এনে তৈরি করা হয়েছে এই রোবট।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী এক বছরের মধ্যে আরও অনেক আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্মসংস্থানের প্রভাব
কিছু লোক মনে করেন রোবটের ব্যবহারে কর্মী ছাঁটাই হতে পারে। কিন্তু রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, মহিলা কর্মীদের কাজের বোঝা কমাতেই রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে। রোবট খাবার টেবিলে নিয়ে গেলে, মহিলা কর্মীরা শুধু সার্ভ করবেন।
উৎসাহিত গ্রাহক
এই রোবট ওয়েটার দেখে অত্যন্ত উৎসাহিত রেস্তোরাঁয় আসা অতিথিরা। অনেকে তাদের সাথে সেলফিও তুলছে।