“বাড়ির সব কাজ করতে বাধ্য করত…”,-পুত্রবধূকে কুপিয়ে খুনের কারণ জানালেন শ্বশুর

মিঠুর স্বামী নীলাংশু সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির বাইরে যান।সেই সময় হিমাংশু মিত্র কাটারি হাতে ঘরে ঢুকে মিঠুর গলায় এলোপাথারি কোপ মারতে থাকেন।
মিঠু রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
মিঠুর ১০ বছর বয়সী মেয়ে চিৎকার শুনে ছুটে আসে।প্রতিবেশীরা চিৎকার শুনে এসে হিমাংশুকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।রক্তাক্ত মিঠুকে দ্রুত চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত হিমাংশু মিত্রকে গ্রেফতার করে।
কিন্তু, কেন বউমাকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করলেন এই প্রবীণ? চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন হেমাংশু। তিনি বলেন, ‘এই বয়সে আমাকে নিজের জামাকাপড় কাচা থেকে শুরু করে সব কাজ করতে হত। ছেলে একেবারে দেখভাল করত না।’
সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের মুখে তিনি বলেন, ‘বাড়িতে রাখা শাবল ব্যবহার করেছিলাম।’
বাবার তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছেলে নীলাংশু। তিনি বলেন, ‘বাবার জন্য নিয়মিত ওষুধ কিনে আনতাম। একজন প্রবীণের এই বয়সে প্রয়োজন, খাবার, ওষুধ, যত্ন আর ভালোবাসা। পাড়ার প্রতিটা মানুষ জানেন আমি বাবাকে এই সমস্ত কিছু দিয়েছি। কোনওদিন অযত্ন করিনি।’