‘মানসিকভাবে বিধ্বস্ত…’, হাথরসকাণ্ডে অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন ভোলে বাবা

হাথরসে ১২১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে ‘ভোলে বাবা’ নামে পরিচিত সূরয পল ওরফে নারায়ণ সাকার হরি সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে বিবৃতি দিয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত।নিহতদের পরিবারকে তিনি বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে ‘ভোলে বাবা’ পলাতক ছিলেন।দুর্ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে FIR দায়ের হয়েছে, সেখানে ‘ভোলে বাবার’ নাম নেই।

হাথরসের দুর্ঘটনায় মূল অভিযুক্ত দেবপ্রকাশ মধুকর দিল্লিতে আত্মসমর্পণ করেছেন।শুক্রবার রাতেই তাঁকে হেফাজতে নিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ।শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।এই অভিযুক্তের নামে কোনওরকম তথ্য দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

একটি ভিডিয়ো বার্তায় হাথরসের ভোলে বাবা বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আমি মর্মাহত। ঈশ্বর এই কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা দিক। সরকার এবং প্রশাসনের উপর আস্থা রাখুন। আমার বিশ্বাস, এই দুর্ঘটনায় যাদের হাত রয়েছে তারা কেউ রেহাই পাবে না। আমার আইনজীবী এপি সিংয়ের মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি, সকলে যেন স্বজনহারা পরিবারের পাশে থাকেন। আজীবন যেন তাদের যে কোনও প্রয়োজনে সহায়তা করা হয়।’

মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘দুর্ঘটনার আগেই আমি ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’ এই দুর্ঘটনার জন্য সমাজবিরোধীরাই দায়ী বলে দাবি তাঁর। ভোলে বাবা বলেন, ‘সৎসঙ্গে কিছু সমাজবিরোধীদের জন্যই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পদপিষ্ট হয়ে ১২১ জনের প্রাণহানি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমি সুপ্রিম কোর্টের বরিষ্ঠ আইনজীবী ড. এপি সিংজিকে নিযুক্ত করেছি। হাথরসের সিকান্দ্রারাও এলাকার ফুলারি গ্রামের দুর্ঘটনার আগেই আমি সৎসঙ্গ শেষ করে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’