”বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে দিন”, সরকারি ক্যাম্পে যুবকের আবদারে অবাক অফিসার

কর্নাটকের কোপ্পাল জেলার এক অদ্ভুত ঘটনা। সরকার জনগণের অভিযোগ শুনতে ও সমাধান করতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানে এক যুবক এমন এক আবদান নিয়ে হাজির হন যা সকলকেই হতবাক করে দেয়। পেশায় কৃষক ৩০ বছর বয়সী সঙ্গপ্পা শ্রীরাহট্টি সরকারি সাহায্য চান, তবে কৃষিকাজের জন্য নয়। বরং তার আবেদন ছিল “বউ খুঁজে দিন। বউ চাই।”

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বউয়ের খোঁজে হতাশ এই যুবক সরকারের কাছে সাহায্য চাইছেন। জেলা কালেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনপত্রে সঙ্গপ্পা লিখেছেন, “দশ বছর ধরে পাত্রী খুঁজছি। কিন্তু আমায় বিয়ে করতে কেউ রাজিই হচ্ছে না। এতে আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছি। স্যার দয়া করে আমায় বউ খুঁজে দিন। বিয়ের জন্য আমায় পাত্রী জোগাড় করে দিন অনুগ্রহ করে।”

এই আজব আবেদন শুনে জেলা কালেক্টর নলীন অতুল কিছুক্ষণ হতবাক হয়ে যান। তারপর সঙ্গপ্পাকে বলেন, “এই বিষয়ে আমি তোমাকে সরাসরি সাহায্য করতে পারব না। তবে তোমার জন্য পাত্রী খুঁজে পেতে স্থানীয়দের সাহায্য নিতে পারো।”

সঙ্গপ্পা তার আবেদনপত্রে আরও লিখেছেন, “আমি জীবনে স্বনির্ভর হতে চেয়েছি। গত ১০ বছর ধরে পাত্রী খুঁজতে অনেক টাকা ও অর্থ ব্যয় করেছি। কিন্তু কোনও পরিবারই তাঁদের মেয়েকে একজন কৃষকের সঙ্গে বিয়ে দিতে চাননি। আমি হতাশ ও মানসিক ভাবে সমস্যায় ভুগছি। আমিই একা নই। আমার মতো এরকম শয়ে শয়ে যুবক রয়েছেন যাঁরা পাত্রী খুঁজতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। আমাদের মতো মানুষদের জন্য সরকারের উচিত আলাদা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ও আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা।”

এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই সঙ্গপ্পার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছেন। আবার কেউ কেউ সরকারকে দায়িত্বজ্ঞানবোধে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছেন।