ছাদ থেকে পড়ছে জল-খাবারে মাছি! ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে

খানাকুলের তাঁতিশাল গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝপুরের ১৫০ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটিতে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শিশুরা। অ্যাজবেসটসের ছাউনি ভেঙে গেছে, দেওয়ালে ফাটল ধরেছে, অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমে যায়, চারিদিকে আবর্জনা ভরা এবং আগাছায় ছেয়ে গেছে। মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে আসে বিষধর সাপও। এই ভয়াবহ পরিবেশেই চলছে পঠনপাঠন।

অভিভাবকদের উদ্বেগ:

এই অবস্থার কারণে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। বিপদ মাথায় নিয়েই কাজ করছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। একাধিক বার ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ:

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের চারপাশে আবর্জনা ছড়িয়ে থাকে। গোবর পড়ে থাকে যত্রতত্র। এতটাই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যে রান্না করার সময় মশা-মাছি উড়ে বেড়ায়। রান্নার সামগ্রী অন্য স্কুলে রেখে আসতে হয়। কিন্তু বাচ্চাদের জন্য মজুত চাল, ডাল, ডিম এখানেই রাখতে হয়। এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে একশোর উপর শিশু আসে।

অভিভাবকদের দাবি:

অভিভাবকদের অনেকেই স্পষ্ট করে বলেছেন, অবিলম্বে মডেল সেন্টার না হলে আর ছেলেমেয়েদের এখানে পাঠাবেন না।

শিশুদের ভয়:

কচিকাঁচাদের বক্তব্য, বেশ ভয়ে ভয়েই তারা এখানে পড়াশোনা করতে আসে। আগাছা থেকে কখনও সাপ বেরোচ্ছে, আবার কখনও আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। তা ছাড়া মশার কামড় তো আছেই। খাবারে মাছি বসে।

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের আবেদন:

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী দেবীরানি আচার্য বলেন, “আমরা আর পারছি না। বারবার আবেদন করেছি, কিছুই হয়নি। জলের কল নেই। অন্যের কলে থেকে জল আনতে গেলে বকাঝকা শুনতে হয়। ছাদ দিয়ে জল পড়ছে। বিষধর সাপ বেরিয়ে পড়ছে। বিপদের মধ্যে আমরা আছি। এ ভাবে সেন্টার চালানো যায় না। আমরা চাইছি মডেল সেন্টার করে দেওয়া হোক। কিন্তু কেউই কোনও কথায় গুরুত্ব দেয়নি।”

ব্লক প্রশাসনের আশ্বাস:

খানাকুল ব্লক প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:

এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটির