OMG! পোস্ট অফিসের কর্মীকে ‘কিডন্যাপ’ করলো পুলিশ? থ্রিলারে জমজমাট দুর্গাপুরের ঘটনা

মঙ্গলবার সকালে ঘটেছিল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নবদ্বীপের মাখনলাল মিনাকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাত ধরা পড়ে। দুর্গাপুর থানায় জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসলে এটি ছিল গ্রেপ্তারের চেষ্টা। মাখনলালের বিরুদ্ধে আগ্রা থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় মাখনলাল মিনা বাইক চালিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।হঠাৎ, একটি সাদা রঙের ইনোভা গাড়ি এসে ধাক্কা দেয় তার বাইকে।
পড়ে গেলে তাকে দ্রুত গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।চোখের সামনে এমন ঘটনা দেখে চিৎকার করে ওঠেন গ্রামবাসী।গাড়ির নম্বর উত্তরপ্রদেশের দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের।অবিলম্বে ফরিদপুর ফাঁড়ি ও দুর্গাপুর থানাকে খবর দেওয়া হয়।অপহরণের খবর শুনে তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।নাকা চেকিং শুরু হয়।

কিছুক্ষণের মধ্যে জানা যায়, আসানসোলের কন্যাপুর থানার পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে অভিযুক্তদের গাড়ি।দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ‘অপহরণকারীরা’ আসলে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দুই কনস্টেবল ও একজন সাব-ইনস্পেক্টর।মাখনলাল মিনার বিরুদ্ধে আগ্রা থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করতেই এসেছিল তারা।তবে গ্রেপ্তারের পদ্ধতিতে ছিল বেশ কিছু ত্রুটি।স্থানীয় থানাকে না জানিয়ে, পুলিশের পোশাক না পরে তারা মাখনলালকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।এতেই স্থানীয়দের চোখে তারা ‘অপহরণকারী’ বলে মনে হয়।

দুর্গাপুরের এসিপি সুবীর রায় বলেন, “মাখনলাল মিনার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা আছে। তাকে গ্রেপ্তার করতে এসেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি দল। কিন্তু গ্রেপ্তারের পদ্ধতিতে ভুল ছিল। স্থানীয় থানাকে না জানিয়ে একপ্রকার জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশের পোশাকও ছিল না তাদের। কনস্টেবল দু’জনের পরনে ছিল হাফ প্যান্ট। স্বাভাবিক ভাবে তাদের দেখে পুলিশ বলে মনে হয়নি। প্রাথমিক ভাবে অপহরণকারী মনে হয়েছিল।”

মাখনলালের দাবি, তিনি নির্দোষ।