রক্তে ভেজা জামা নর্দমায় ফেলে পালান জামাইবাবু, ইঞ্জিনিয়ার খুনে এলো নয়া মোড়

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অপূর্ব ঘোষ খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার অলোক্তিকা দাস, সুদীপ দাস ও সঞ্জীব পাত্রকে রবিবার জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে।

সুদীপ ও সঞ্জীব মদ্যপ অবস্থায় অলোক্তিকার সাথে আলোচনা করে শেওড়াফুলি থেকে অপূর্বর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।সঙ্গে একটি ভোজালি ছিল যা তারা প্লাস্টিকে ভরে বালি ব্রিজ হয়ে আলমবাজার মোড়ে অপূর্বর ফলের দোকানে যায়।

দোকানে অপূর্বকে না পেয়ে তারা নিশ্চিত হয় যে সে বাড়িতেই আছে।এরপর তারা মে দিবস পল্লির অপূর্বর বাড়িতে গিয়ে বেল বাজায়।অপূর্ব দরজা খুলে দেন এবং সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার সময় সুদীপ নীচে একটি জায়গায় ভোজালিটা রেখে যায়।

অপূর্বর খারাপ ব্যবহার নিয়ে দু’জনেই অসন্তুষ্ট ছিল। সেই জন্যেই সেই রাতে তারা এসেছিল।খারাপ ব্যবহারের প্রসঙ্গ তুলতে সেই রাতেও ফের অপূর্ব দু’জনের উপর চিৎকার করে।এরপর সঞ্জীব একতলা থেকে ভোজালি নিয়ে আসে।

বডিবিল্ডার সুদীপ প্রথমে শ্যালকের চুলি ধরে ভোজালি দিয়ে কপালে আঘাত করে।অপূর্ব আত্মরক্ষায় হাত চালাতে শুরু করলে সুদীপ গলা চেপে ধরে।
সঞ্জীব তখন অপূর্বর শরীরে এলোপাথাড়ি কোপ বসাতে শুরু করে।মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তবেই থামে।

সুদীপের জামা রক্তে ভিজে যায়।সে জামা খুলে স্যান্ডো গেঞ্জি পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে।প্রথমে খুনে ব্যবহৃত ভোজালিটি প্লাস্টিকে মুড়ে বাড়ির সামনে ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়।তারপর আরও একটি জায়গায় ড্রেনের পাশে অপূর্বর মোবাইলটি ফেলে।সুদীপের রক্তে ভেজা জামাটি তারা একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে শেওড়াফুলি ফিরে যায়।