BigNews: রবিবারে বাজারে লাফিয়ে বাড়ল পেঁয়াজের দাম, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের

রবিবারের বাজারে চোখ কান ঝাঁপসা করে দিয়েছে চড়া দাম। মুরগি, খাসি, মাছ, সবজি – সবকিছুই বিক্রি হচ্ছে অস্বাভাবিক দামে। সকাল ৮ টার পর থেকেই মাংসের দোকানে শুরু হয়েছে লাইন। বিশেষ করে মটনের দোকানে ভিড় দেখা গেছে স্পষ্টভাবে।
চিকেন-মটনের দাম:
মটন: ৮০০-৮৫০ টাকা প্রতি কেজি
পোল্ট্রি চিকেন: ২২০-২৫০ টাকা প্রতি কেজি
বড় বাজারের চিকেন: ২৫০ টাকা প্রতি কেজি
গোটা মুরগি: ১৪০-১৬০ টাকা প্রতি কেজি
দেশি মুরগি: ৩৫০-৪০০ টাকা প্রতি কেজি
মাছের বাজার:
ইলিশ: ৭০০-১৩০০ টাকা প্রতি কেজি (আকার অনুযায়ী)
কাতলা: ৩০০-৩৫০ টাকা প্রতি কেজি
তেলাপিয়া: ১৫০-২০০ টাকা প্রতি কেজি
রুই: ১৯০-২২০ টাকা প্রতি কেজি
পাবদা: ৪০০-৫০০ টাকা প্রতি কেজি
ভেটকি: ৬০০ টাকা প্রতি কেজি
লোটে: ১০০-১২০ টাকা প্রতি কেজি
চিংড়ি: ৩০০-৩৫০ টাকা প্রতি কেজি
গলদা চিংড়ি: ৬০০-৭০০ টাকা প্রতি কেজি
সবজির বাজার:
আলু: ২৬-৩২ টাকা প্রতি কেজি
পেঁয়াজ: ৬০-৭০ টাকা প্রতি কেজি (সপ্তাহের মাঝামাঝি ৩৫ টাকা ছিল)
পটল: ৬০ টাকা প্রতি কেজি
টমেটো: ৫০ টাকা প্রতি কেজি
কারণ:
গরমের মরশুম: বেশিরভাগ সবজির উৎপাদন কমেছে।
পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি: পরিবহন খরচ বেড়েছে।
চাহিদা বেশি: রবিবার বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি থাকে।
ফলাফল:
সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে।
বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
সমাধান:
সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বাজারে নজরদারি বাড়ানো উচিত।
মাছ-মাংস-সবজির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
আশা করা যায়, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং বাজারে স্বাভাবিক দাম ফিরিয়ে আনবে।