দুধ থেকে বার্ড ফ্লু ছড়ানোর সম্ভাবনা? জেনেনিন কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

নতুন করে আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে বার্ড ফ্লু। কয়েক সপ্তাহ আগেই এই রোগের ভাইরাস H5N1 মিলেছে গোরুর দুধে। ইতিমধ্যেই নিউ ইয়র্কের তিন বাসিন্দার বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই খামারের কর্মী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)ও এই তথ্য প্রকাশ্যে আনে।
এই খবরের পর থেকেই বাজারে গোরুর দুধ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দুধের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুধ বা মাংসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
কারণ:
পাস্তুরাইজেশন: পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়ায় দুধকে 63°C (145°F) তাপমাত্রায় 30 মিনিট গরম করা হয়। এর ফলে দুধের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যায়।
গবেষণার ফলাফল: গবেষণায় দেখা গেছে যে, 63°C তাপমাত্রায় H5N1 ভাইরাস মাত্র 20 সেকেন্ডের মধ্যে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।
FDA-এর বক্তব্য: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (FDA) জানিয়েছে যে, বাজারে বিক্রি হওয়া প্রায় 20% দুধে H5N1 ভাইরাসের অংশ রয়েছে। তবে এই অংশ এখনও পর্যন্ত সক্রিয় বলে প্রমাণিত হয়নি।
তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:
কাঁচা দুধ এড়িয়ে চলা: কাঁচা দুধ পাস্তুরাইজ করা হয় না। তাই এতে ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থাকে।
দুধ ফুটিয়ে খাওয়া: বাজারজাত দুধও ফুটিয়ে খাওয়া ভালো।
মাংস ভালো করে রান্না করা: মুরগির মাংস ভালো করে রান্না করে খাওয়া উচিত।
শেষ কথা:
বার্ড ফ্লু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। তবে সচেতনতা বজায় রাখা এবং সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।