গোরুর দুধেও বার্ড ফ্লুয়ের ভাইরাস বাড়াচ্ছে দুশ্চিন্তা, জেনেনিন কি বলছে বিজ্ঞনীরা?

বিজ্ঞানীরা মারাত্মক H5N1 (বার্ড ফ্লু) ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন গোরুর দুধে।এই ভাইরাস গবাদি পশুর দুগ্ধগ্রন্থিতে বংশবিস্তার করতে সক্ষম, যা মানুষের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।দুধ দোয়ার সময় বা খাওয়ার সময় সংক্রমণ হতে পারে।

বিশেষ করে কেরালায়, যেখানে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব রয়েছে, ঝুঁকি বেশি।নেচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 6টি অঙ্গরাজ্যে গোরুর দুধে H5N1 ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে।

এই ভাইরাসটি “হাইলি প্যাথজেনিক”, অর্থাৎ এটি খুবই সংক্রামক এবং মারাত্মক হতে পারে।গবেষণায় বলা হয়েছে, গোরুর ম্যামারি গ্ল্যান্ডে H5N1 ভাইরাসের জন্য রিসেপ্টর রয়েছে, যা পাখি এবং মানুষের বার্ড ফ্লু ভাইরাসের রিসেপ্টরের সমতুল্য।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে গো-মুরগি-হাঁস মিলিয়ে চলা খামারগুলিতে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।কাঁচা দুধ, সিন্নি, বা চরণামৃতের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফোটানো বা পাস্তুরাইজড দুধে ভাইরাসটি মারা যায়।খাদ্যনালীর মাধ্যমে H5N1 সংক্রমণের সম্ভাবনা কম, তবে সম্পূর্ণ বাতিল করা যায় না।
গোরু পালন এবং দুধ দোয়ার কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি।

2022 সালে, নেচার জার্নালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে লালা গ্রন্থি এবং খাদ্যনালীর অংশেও আরএনএ ভাইরাস বংশবিস্তার করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গোরুর দুগ্ধগ্রন্থিতে H5N1 ভাইরাসের উপস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

টেক্সাস সহ বেশ কয়েকটি জায়গায়, গোরুদের ঘাস খাওয়ার সময় সংক্রমিত পাখির মল-মূত্র-দেহরস থেকে সংক্রমিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সতর্কতা:

গোরুর দুধ ফোটানো বা পাস্তুরাইজ করে খান।
কাঁচা দুধ, সিন্নি, বা চরণামৃত এড়িয়ে চলুন।
গোরু পালন ও দুধ দোয়ার কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।