নতুন স্পেসক্রাফটে মহাকাশে পাড়ি, ফের ইতিহাস গড়তে চলেছেন সুনীতা উইলিয়ামস

ইতিহাস গড়তে চলেছেন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। মহাকাশে ডানা মেলতে ইচ্ছুক মহিলাদের জন্য তিনি এক আদর্শ। তৃতীয়বারের মতো মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন তিনি। সেই সাথে নতুন মহাকাশযান ‘স্টারলাইনার’-এর প্রথম ক্রু মিশনে অংশগ্রহণকারী প্রথম মহিলা হিসেবেও ইতিহাস সৃষ্টি করবেন।
শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশে উড্ডয়ন করবে সুনীতা উইলিয়ামসকে নিয়ে।
গত ৭ মে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে উত্তোলনের প্রায় ৯০ মিনিট আগে যাত্রা স্থগিত করা হয়েছিল।
সবকিছু ঠিক থাকলে, বোয়িং স্টারলাইনার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের হারমনি মডিউলের সাথে ডক করবে। সেখানে এক সপ্তাহ অবস্থান করবে মহাকাশযানটি। এরপর নাসার বাণিজ্যিক ক্রু প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কক্ষপথে পরীক্ষাগারে ঘূর্ণন মিশনের জন্য পরিবহন ব্যবস্থার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন করবে।
সুনীতা উইলিয়ামস এর আগে মহাকাশে ৩২২ দিন কাটিয়েছেন। মহাকাশ ভ্রমণে সর্বাধিক সময় ব্যয়কারী মহিলার রেকর্ডও তারই।
২০০৬ সালের ৯ ডিসেম্বর সুনীতা উইলিয়ামস তার প্রথম মহাকাশ ভ্রমণে যান। সেই সময় তিনি মোট চারটি স্পেসওয়াক করে ২৯ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সময় কাটান।
নতুন মহাকাশযানে উড়ে যাওয়ার জন্য সুনীতা উইলিয়ামস অত্যন্ত উত্তেজিত। তিনি স্টারলাইনার ডিজাইনে সহায়তা করেছিলেন এবং নাসা ও বোয়িং ইঞ্জিনিয়ারদের সাথেও কাজ করেছেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছালে তা তার কাছে বাড়ি ফিরে যাওয়ার মতো হবে বলে মনে করেন তিনি।
প্রায় ১০ দিনের এই মিশন স্টারলাইনারের যোগ্যতা প্রমাণ করবে। এটি মার্কিন মহাকাশ সংস্থার জন্য নাসা সার্টিফিকেশন এবং দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ মিশনের জন্য প্রস্তুতির প্রমাণও দেবে।
আগের উৎক্ষেপণ বাতিল হওয়ার বিষয়ে নাসা বলেছে, স্টারলাইনারের একটি ত্রুটির কারণে মিশন স্থগিত করা হয়েছিল।
নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছেন সুনীতা উইলিয়ামস। তার এই অভিযান निश्चितরূপে অনুপ্রেরণাদায়ক হবে।