রবিবার সন্ধ্যায় বাংলায় ‘রিমেল’,হানা, দুর্যোগ মোকাবিলায় কী কী প্রস্তুতি নিচ্ছে KMC?

ঘূর্ণিঝড় রিমেল রবিবার সন্ধ্যার মধ্যে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তৃত এলাকায় আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৭০-৮০ কিলোমিটার বেগে আসা এই ঝড় মোকাবেলায় কলকাতা পুরসভা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।
প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী যেমন খাদ্য, জল, ওষুধ ইত্যাদি মজুত করা হচ্ছে।বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে মানুষদের সরিয়ে নেওয়া যায়। কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কেএমডিএ, রেল, বন্দর, পূর্ত ও সেচ দপ্তর সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও কেন্দ্রীয় সংস্থার সাথে বৈঠক করেছেন।
ঝড়ের পরে রাস্তায় ভেঙে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলার জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি বরোর জন্য আলাদা আলাদা টিম তৈরি করা হয়েছে। হাইড্রোলিক ল্যাডার, ক্রেন, বুলডোজার, ডাম্পার ইত্যাদি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
পুরসভার পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরসভার শীর্ষ আধিকারিকরা এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিচালনা করবেন। ঝড়ের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে বাতিস্তম্ভগুলি আগে থেকেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এই কাজ CESC-এর সাথে সমন্বয় রেখে করা হচ্ছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় নিকাশি ব্যবস্থার উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুর এলাকায় মোট ৭৬ টি নিকাশি পাম্পিং স্টেশন রয়েছে। মোট ৪০৮ টি পাম্পের মধ্যে ৩৯২ টি পাম্প সক্রিয় রয়েছে। সকল পাম্প চালু রাখার জন্য তদারকি চলছে। সমস্ত পাম্পিং স্টেশন সচল রাখতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হবে।
অতিরিক্ত জল নিষ্কাশনের জন্য অস্থায়ী পাম্পও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।গালিপিট পরিষ্কার: গালিপিটে ময়লা জমে জল জমার সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।