সাংসদের কাটা দেহে মেশানো হয় মশলা, হয় মাংস খাওয়ার পার্টি! উঠে এলো হাড়হিম তথ্য

প্রায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত বুধবার (২২ মে) বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসে। বুধবার সকালে নিউটাউনের ওই অভিজাত আবাসনে আসে নিউটাউন থানা পুলিশ। পরে সঞ্জীবা গার্ডেনের (ব্লক ৫৬ বিইউ) ঘর খুলে ভেতরে রক্তের দাগ দেখতে পায়, পাশাপাশি ট্রলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। সেই ব্যাগের মধ্যেও রক্তের দাগ ছিল।

সূত্রে জানা গেছে, ওই আবাসনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, গত ১৩ মে এই আবাসনে ওঠেন আনোয়ারুল আজীম। তার সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন, যার মধ্যে ছিলেন একজন নারী। এরপর ওইদিনই আনোয়ার আবাসনের বাইরে না বেরোলেও বাকিরা বেশ কয়েকবার ওই আবাসনে আসা-যাওয়া করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, কলকাতার পার্শ্ববর্তী শহরাঞ্চল রাজারহাট নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় সংসদ সদস্যকে। তারপর দেহ টুকরো টুকরো করা হয়। যেন কাটা দেহ থেকে গন্ধ না ছড়ায় তাই দেহাংশগুলো ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়েছিল।মরদেহের পরিচয় যাতে বোঝা না যায়, তাই তারা এমপি আনারের শরীরের হাড় ও মাংস আলাদা করে ফেলেন। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে কেটে ট্রলি ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাটের বাইরে নিয়ে সুবিধাজনক স্থানে ফেলে দেন।

এর মধ্যেই উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, খুনের পর দেহাংশের পচন ও দুর্গন্ধ ঠেকাতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। দেহের টুকরো টুকরো করে কিমা করা হয় দেহ। সেই দেহাংশ ফ্ল্যাটের ভিতরেই ফ্রিজের মধ্যে রাখা হয়।এমনকি জানা গিয়েছে, যাতে সন্দেহ না হয়, তার জন্য মাংসে রান্নার মশলাও মেশানো হয় ওই দেহের টুকরো গুলোতে। সেই ফ্ল্যাটেই রাতে মাংস রান্না করে খাওয়া হয়। তবে তা সাংসদের মাংস নয়। এখনো পর্যন্ত সেই সংসদের দেহের টুকরো গুলি খুঁজে পাওয়া যায়নি। দেহ কোথায় ফেলেছে সে ব্যাপারে বৃহস্পতিবার দিনভর একাধিক জায়গার কথা বলেছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।