ক্যামেরা নিয়ে ট্রাফিক পুলিশদের জন্য বাধ্যতামূলক নিয়ম, SOP জারি করলো লালবাজার

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের উপর নিগ্রহের অভিযোগ নতুন নয়। এই সমস্যা সমাধানে এবং পুলিশ-জনগণের মধ্যে বিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য, লালবাজার নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) জারি করেছে। এই এসওপিতে বডি ক্যামেরা ব্যবহার, ফুটেজ সংরক্ষণ এবং ডিলিট করার নিয়মাবলী স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মূল নিয়মাবলী:
কাজের আগে: পুলিশ কর্মীদেরকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের বডি ক্যামেরায় পর্যাপ্ত মেমোরি আছে।
ঘটনার সময়: সমস্ত কথোপকথন এবং ঘটনা রেকর্ড করার জন্য ক্যামেরা চালু রাখতে হবে।
ফুটেজ সংরক্ষণ: প্রতিদিনের শেষে, ট্রাফিক বিভাগের কর্মীদেরকে ফুটেজ ট্রাফিক বিভাগের গার্ডের হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করতে হবে।
সংরক্ষণের সময়কাল: ফুটেজ ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে।
ডিলিট করা: ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি ছাড়া ফুটেজ ডিলিট করা যাবে না। ডিলিট করার সময়, কারণটি জেনারেল ডায়েরিতে নথিভুক্ত করতে হবে।
পর্যবেক্ষণ: এসি পদমর্যাদার কর্মকর্তারা পুলিশ কর্মীরা এসওপি মেনে চলছে কিনা তা তদারকি করবেন এবং প্রতি মাসে ডেপুটি কমিশনারকে রিপোর্ট করবেন।
খারাপ ক্যামেরা: ত্রুটিপূর্ণ ক্যামেরা সম্পর্কে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অবিলম্বে জানাতে হবে এবং প্রয়োজনে জেনারেল ডায়েরি করতে হবে।
সম্পাদনা নিষেধ: বডি ক্যামেরার ভিডিও কোনোভাবেই সম্পাদনা করা যাবে না।
অফ-লাইন সংরক্ষণ: থানার বাইরে ফুটেজ সংরক্ষণ করা যাবে না।
রেকর্ডিং সময়: বর্তমানে ক্যামেরা মাত্র কয়েক ঘণ্টার ভিডিও রেকর্ড করতে পারে।
প্রত্যাশা:
আধিকারিকরা বিশ্বাস করেন যে এই নতুন এসওপি পুলিশ নিগ্রহের ঘটনা কমাতে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
উল্লেখ্য:
এই এসওপিটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়েছিল।ট্রাফিক পুলিশ ছাড়াও, লালবাজারের অন্যান্য বিভাগেও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের জন্য এসওপি জারি করা হয়েছে।