কতটা এগোলো সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করণের আমেরিকার উদ্যোগ?

গাজায় চলমান হামাস-ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে মার্কিন উদ্যোগ থমকে আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মাথায় এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল। তবে গত বছর অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর আর তেমন অগ্রগতি হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের কর্মকর্তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনে ইসরায়েলকে চাপ দিচ্ছে। এরইমধ্যে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সৌদি আরব সফর করছেন। সেখানে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তিনি যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
জানা গেছে, সৌদি আরব সফর শেষে সুলিভানের ইসরায়েলে যাওয়ার কথা রয়েছে।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির ধাহরান শহরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের খসড়া চুক্তির সেমি-ফাইনাল সংস্করণ পর্যালোচনা করা হয়েছে। যা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, জ্যাক সুলিভান ও ক্রাউন প্রিন্স জেরুজালেম এবং রিয়াদের মধ্যে একটি স্বাভাবিককরণ চুক্তির মধ্যস্থতার জন্য দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। সুলিভান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে দেখা করে রিয়াদে তার আলোচনার বিষয়ে আপডেট জানাবেন এবং রাফাতে ইসরায়েলের পরিকল্পিত সামরিক অভিযান নিয়েও আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা ও বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তারা একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলিদের প্রতিশ্রুতিও নিশ্চিত করতে চায়। ভূরাজনৈতিক জটিলতার কারণে এমন আলোচনা কতটা সফল হবে এখনো অনিশ্চিত।